kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


তাদের এত সকালে ঘুম ভাঙার বিষয়টি অবিশ্বাস্য!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:৫২



তাদের এত সকালে ঘুম ভাঙার বিষয়টি অবিশ্বাস্য!

অনেক গবেষণাতেই বলা হয়েছে, সকালের পাখিরা অন্যদের চেয়ে বেশি সফল হয়ে থাকেন। এ বিশ্বের সফলকাম পরিচিত মুখগুলোর দিকে তাকালে প্রমাণ মেলে।

তারা সবাই এত সকালে ওঠেন যে তা অবাক করে দেবে সবাইকে। তাদের মতে, অনেক সকাল উঠলে বহু সময় হাতে পাওয়া যায়। তা ছাড়া বিশ্রামের বাড়তি সময়ও মেলে। সকালের সতেজ আবহাওয়ার সতেজ দেহ-মন নিয়ে কাজ শুরু করাই তাদের সফলতার মন্ত্র। এখানে দেখে নিন এমনই সফল মানুষদের।

১. অ্যাপলের সিইও টিম কুক ওঠেন ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে। ই-মেইল দেখার মাধ্যমে তার কাজ শুরু হয়।

২. মিশেল ওবামার ঘুম ভাঙে ভোর সাড়ে ৪টায়। এই মার্কিন ফার্স্টলেডি সামান্য ঘুমের জন্য বিখ্যাত।

৩. এওএল সিইও টিম আর্মস্ট্রংয়ের দিনের কাজ শুরু হয় ভোর ৫টা থেকে। তবে ঘুম থেকে উঠেই ই-মেইল আদান-প্রদান যতটা পারেন এড়িয়ে চলেন।

৪. জেরোক্সের সিইও উরসুলা বার্নস প্রতিদিন ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে ওঠেন। হালকা ব্যায়াম ও ই-মেইল দেখে নেওয়ার কাজটি সারেন সবার আগে।

৫. জিই এর সিইও জেফ ইমেল্ট ভোর সাড়ে ৫টায় উঠে প্রথমেই ব্যায়ামের কাজটি সেরে নেন।

৬. পেপসিকো'র সিইও ইন্দ্রা নুয়ি প্রতিদিন অফিসে পৌঁছান সকাল ৭টায়।

৭. নেক্সটডেস্ক পরিচালক ড্যান লি তার দিন শুরু করেন সাড়ে ৩টা।

৮. টুইটার এবং স্কয়ার সিইও জ্যাক জর্সি ভোরে উঠে প্রথমেই ৬ মাইল দৌড়ান।

৯. ফিয়াট ক্রিসলার সিইও সার্জিও মার্সিনো ভোর সাড়ে ৩টায় ঘুম থেকে উঠে পড়েন।

১০. শার্ক ট্যাংকের বিনিয়োগকারী কেভিন ও'লিয়ারি ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে উঠে পড়েন। প্রথমেই এশিয়ান ও ইউরোপিয়ান বন্ড মার্কেট দেখে ফেলেন।

১১. ডিজনি সিইও বব আইগার অনেক সকালে ওঠেন একটু চিন্তার জন্য।

১২. ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান রিচার্ড ব্রানসন প্রতিদিন ভোর পৌনে ৬টায় উঠে পড়েন।

১৩. জেনারেল মোটর্স এর সিইও মেরি বারা অফিসে পৌঁছেন ভোর ৬টায়।

১৪. পিমকো সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গ্রস অফিসে পৌঁছেন ভোর ৬টায়।

১৫. মার্থা স্টিওয়ার্ট রাতে মাত্র ৪ ঘণ্টা ঘুমান।

১৬. হিন্ট ওয়াটার প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও কারা গোল্ডিন ভোর সাড়ে ৫টায় ঘুম থেক ওঠেন।

১৭. ভার্জিন আমেরিকা সিইও ডেভিড কাশ কাজের জন্য প্রস্তুত হয়ে যান ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে।

১৮. জুলিলি সিইও ড্যারেল ক্যাভেন্স ভোর ৬টায় ঘুম থেকে উঠে পড়েন।

১৯. এলিভেস্ট সিইও এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্যালি ক্রচেক ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে পড়েন।

২০. স্টারবাক্স সিইও হাওয়ার্ড শুলজ অফিসে পৌঁছেন ভোর ৬টায়।

২১. 'প্রোজেক্ট রানওয়ে' এর সহকারী সঞ্চালক এবং ফ্যাশন কনসালটেন্ট টিম গানের দিনের শুরু হয় ভোর সাড়ে ৫টায়।

২২. ভোডাফোনের সিইও ভিটোরিও কোলাও ওঠেন ভোর ৬টায়।

২৩. কায়াক এর সহকারী প্রতিষ্ঠাতা পল ইংলিশ ভোর ৬টায় উঠে মেডিটেশন করেন।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

 


মন্তব্য