kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


১০ বছর আগেই ধরা পড়বে ক্যান্সার!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:২৪



১০ বছর আগেই ধরা পড়বে ক্যান্সার!

এক যুগান্তকারী রক্তপরীক্ষা আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এর মাধ্যমে ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশের ১০ বছর আগেই তা শনাক্ত করা যাবে।

স্রেফ আঙুলে সুঁই ফুটিয়ে রক্ত নিতে হবে। এ পরীক্ষায় লোহিত রক্তকণিকার মিউটেশন বিশ্লেষণ করা হবে। ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই ফলাফল চলে আসবে। টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়।

ব্রিটেনের সোয়ানসি ইউনিভার্সিটির গবেষকদের বিশ্বাস, এ পরীক্ষার মাধ্যমে বহু আগেই ক্যান্সারের ঝুঁকি শনাক্ত করা যাবে। ফলে অসংখ্য মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। এ ছাড়া চিকিৎসার খরচও হ্রাস পাবে অনেক। এক যুগের মধ্যে এ পরীক্ষা বাস্তবায়িত হবে বলে আশাপ্রকাশ করছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষণা দলের এক বিজ্ঞানী ড. হাসান হাবোবি ব্রিটিশ সায়েন্স ফেস্টিভ্যালকে জানান, এ পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এ পরীক্ষায় বোঝা যাবে কারা আগামী ১০ বছরের মধ্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন।

খুব ব্যয়বহুল চিকিৎসা হবে না। সম্ভবত ৩৫ পাউন্ডের মধ্যেই পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। ক্যান্সারের সম্ভাবনা থাকলে একসময় সাধারণ সার্জারির মাধ্যমেই মানুষ সুস্থ হয়ে উঠবেন। এর জন্য কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপির প্রয়োজন হবে না।

আপাতত এ পরীক্ষা নিয়ে গবেষণা চলছে অয়েসোফাগাস ক্যান্সারে আক্রান্তদের ওপর। এ ক্যান্সার অনেক পরে শনাক্ত করা যায় এবং চিকিৎসায় সফলতার হার খুব কম। অবশ্য প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সারের আক্রান্তদের ওপরও এ পরীক্ষা নিয়ে গবেষণা চলছে।

প্রধান গবেষক প্রফেসর গ্যারেথ জেনকিন্স জানান, এ পরীক্ষা মূলত পরিবর্তন বিশ্লেষণ করবে যাকে বলা হয় মিউটেশন। লোহিত রক্তকণিকার প্রোটিন বিশ্লেষণ করা হবে এ পরীক্ষার মাধ্যমে। এই চিনির মতো প্রোটিন 'ভেলক্রো'র মতো কাজ করে। পরবির্তিত কোনো কোষে ভেলক্রো মেলে না। ফলে এই কোষগুলোতে কোনো প্রোটিন থাকে না। এই প্রোটিনটিকে শনাক্ত করতে পারে কোষ। এসব পরিবর্তিত কোষ বিশ্লেষণ করেই ক্যান্সারের সম্ভবনা বের করে আনা হবে।

এ পরীক্ষা যে সঠিকভাবে কাজটি করতে পারে তা নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে।
সূত্র : হাফিংটন পোস্ট

 


মন্তব্য