kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিশ্বের প্রাচীনতম জীবাশ্মের সঙ্গে মঙ্গলের জীবনের যোগসূত্র খুঁজছেন গবেষকরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:৪৬



বিশ্বের প্রাচীনতম জীবাশ্মের সঙ্গে মঙ্গলের জীবনের যোগসূত্র খুঁজছেন গবেষকরা

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন জীবাশ্ম পাওয়া গেছে ৩.৭ বিলিয়ন বছর পুরনো। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব উলংগং-এর একদল গবেষক এ জীবাশ্ম আবিষ্কার করেন।

গবেষকদলের নেতৃত্বে ছিলেন অ্যালেন নাটম্যান। এ আবিষ্কার শুধু একটি আবিষ্কারই নয়, এতে জবাব মিলবে বিশ্বের ও মঙ্গলগ্রহের বহু অনিষ্পন্ন প্রশ্নের। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
এই প্রাচীনতম জীবাশ্মটি আবিষ্কারের আগে পৃথিবীতে যে জীবাশ্মটিকেই প্রাচীনতম বলে মনে করা হতো, তার বয়স ছিল ২২০ মিলিয়ন বছর। তবে নতুন আবিষ্কার করা জীবাশ্মটি তার চেয়ে অনেক বেশি বয়সের। বেশ কিছু বিষয়ের অনিষ্পন্ন তথ্য জানাবে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, পৃথিবীতে প্রাণ বিষয়ে আগে যে ধারণা করা হয়েছিল, তার চেয়েও এক বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে নতুন আবিষ্কারের ভিত্তিতে।
গবেষকরা এ আবিষ্কারকে শুধু পৃথিবীর জন্যই নয়, মঙ্গলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে মানছেন। এর কারণ, পৃথিবী ও মঙ্গল উভয় গ্রহই কাছাকাছি সময়ে তৈরি হয়েছে বলে গবেষকরা ধারণা করেন।
এ বিষয়ে মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির গবেষক অ্যাবিগেইল অলউড বলেন, ‘এ বিষয়টি পরিষ্কার যে, মঙ্গল গ্রহের ইতিহাসও পৃথিবীর মতো। ’
গবেষকরা মনে করেন পৃথিবী ও মঙ্গল উভয় গ্রহেরই অতীত পরিস্থিতি একই ধরনের ছিল। ফলে অতীতে পৃথিবী ও মঙ্গল উভয় গ্রহেই ক্ষুদ্র জীবাণু বসবাসের পরিবেশ ছিল। এ গবেষণার ফলাফলটি তাই গবেষকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা এ গবেষণার ফলাফল কাজে লাগিয়ে মঙ্গল গ্রহেও জীবনের অস্তিত্ব ছিল কি না, তা অনুসন্ধান করবেন।
বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো জীবাশ্মটি পাওয়া যায় গ্রিনল্যান্ডে। যে মাটিতে এ জীবাশ্মটি পাওয়া গেছে, তা অতীতে সাগরবক্ষে ছিল, এমন ধারণা করছেন গবেষকরা।


মন্তব্য