kalerkantho


ঢাকার কাছেই ঘুরে আসুন ‘ছোট কক্সবাজার’ থেকে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২০:২৭



ঢাকার কাছেই ঘুরে আসুন ‘ছোট কক্সবাজার’ থেকে

রাজধানীর কোলাহল ছেড়ে একদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে যেতে চাইলে মৈনট ঘাটকে বেছে নিতে পারেন। সেখানে গেলে পদ্মার সৌন্দর্য্য যেমন আপনাকে মোহিত করবে, তেমনি খেতে পাবেন পদ্মার তাজা ইলিশ।

যেভাবে যেতে হবে
মৈনট ঘাটের অবস্থান ঢাকার দোহার উপজেলায়। গুলিস্তানের গোলাপশাহ মাজার থেকে সেখানে সরাসরি যাওয়ার বাস সার্ভিস আছে। ভাড়া জনপ্রতি ৯০ টাকা। সময় লাগবে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা।

‘ছোট কক্সবাজার’
মৈনট ঘাটের আশেপাশে বিশেষ করে পূর্ব দিকে আছে বিশাল চর আর সামনে বিস্তীর্ণ পদ্মা। এই ঘাটের সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই একে ‘ছোট কক্সবাজার’ বা ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে ডাকতে শুরু করেছে।

পদ্মায় ঘুরে বেড়ানো
নৌকা কিংবা স্পিডবোটে করে পদ্মার বুকে ঘুরে বেড়াতে পারেন। আট জনের চড়ার উপযোগী একটি স্পিডবোটের ভাড়া আধ ঘণ্টার জন্য দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। এছাড়া আড়াইশ থেকে ৮শ’ টাকা ঘণ্টায় ইঞ্জিন নৌকায় চার থেকে ২০-২৫ জন একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো যায়।

পদ্মায় ঘুরে বেড়ানো
নৌকা কিংবা স্পিডবোটে করে পদ্মার বুকে ঘুরে বেড়াতে পারেন। আট জনের চড়ার উপযোগী একটি স্পিডবোটের ভাড়া আধ ঘণ্টার জন্য দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। এছাড়া আড়াইশ থেকে ৮শ’ টাকা ঘণ্টায় ইঞ্জিন নৌকায় চার থেকে ২০-২৫ জন একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো যায়।

সতর্ক থাকতে হবে
স্পিডবোট কিংবা নৌকায় করে পদ্মায় ঘোরার সময় লাইফ জ্যাকেট পরা উচিত। কেননা বর্ষা ও শরতের সময় পদ্মার ঢেউ হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। তাই খুব ছোট নৌকা নিয়ে পদ্মার ভেতরে বেড়াতে যাওয়া ঠিক হবে না।

টাটকা মাছ কিনুন
নৌকা করে ঘুরতে গিয়ে হয়ত জেলে নৌকার দেখা পেয়ে যেতে পারেন। তাহলে দেরি না করে একেবারে তাজা মাছ কিনে নিতে পারেন তাদের কাছ থেকে।

খাবার ব্যবস্থা
মৈনট ঘাটের রেস্তোরাঁগুলোতে পদ্মার ইলিশের স্বাদ নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ঘাটের কাছে কার্তিকপুর বাজারেও ভালো খাবারের ব্যবস্থা আছে।

নবাবগঞ্জের অন্যান্য নিদর্শন
মৈনট ঘাট এলাকায় ঘোরার জন্য বিকালটা ভালো সময়। সূর্যাস্তও দেখা যাবে তখন। তার আগে সকালে মৈনট ঘাট যাওয়ার পথে নবাবগঞ্জে নেমে সেখানকার প্রাচীন স্থাপনাগুলো দেখা যেতে পারে। যেমন জজ বাড়ি (ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন), কলাকোপার ঐতিহাসিক গান্ধী মাঠ, প্রাচীন প্রাসাদ, এন হাউজ, জগবন্ধু সাহা হাউজ এবং খেলারাম দাতার বাড়ি। দেখা যেতে পারে বান্দুরার জপমালা রাণীর গির্জাও।

রাতে থাকার ব্যবস্থা
মৈনট ঘাট এলাকায় রাতে থাকার ভাল ব্যবস্থা এখনও নেই। তবে ঢাকার কাছে হওয়ায় দিনে গিয়ে দিনে ফিরে যাওয়াই ভালো। নিজেরা গাড়ি নিয়ে গেলে ভ্রমণটা আরামদায়ক হতে পারে। সেক্ষেত্রে মৈনট ঘাট ছাড়াও নবাবগঞ্জের স্থাপনাগুলো দেখা যাবে।

যেখানে সেখানে ময়লা ফেলবেন না
মৈনট ঘাটে সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে গিয়ে যদি আশেপাশে ময়লা দেখতে পান তাহলে নিশ্চয় আপনার ভালো লাগবে না। তাই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেষ্ট থাকতে হবে। যেখানে সেখানে পানির বোতল, চিপস-বিস্কুটের প্যাকেট সহ কোনো ময়লা ফেলা যাবে না। আপনি নিজে যেমন ফেলবেন না, তেমনি কাউকে ফেলতে দেখলে তাকে নিরুৎসাহিত করাটাও আপনার দায়িত্ব।

- ডিডাব্লিউ


মন্তব্য