kalerkantho


মুরগির দেহে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ই কোলি ব্যাকটেরিয়া!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:০৩



মুরগির দেহে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ই কোলি ব্যাকটেরিয়া!

ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের এক গবেষণায় উঠে এসেছে মারাত্মক তথ্য। সেখানকার মুরগির বাজারের অর্ধেক মুরগির দেহে যে ই  কোলি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে তাতে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না।

ব্রিটেনের টেস্কো, আসডা, সেইন্টবুরিস, মোরিসন্স, ওয়েট্রোজ, কো-অপ এবং আল্ডির মতো বড় বড় সুপারমার্কেটের মুরগিতে ই কোলি পাওয়া গেছে যাতে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না।

এ ঘটনাকে মারাত্মক স্বাস্থ্যহুমকি বলে মনে করেন প্রধান গবেষক মাইক্রো জেনোমিক্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি সায়েন্স বিভাগের মার্ক হোমস। কাজেই মুরগি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ও বিশেষ উপায়ে রান্নার মাধ্যমে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারে মানুষ।

মুরগি পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞানীরা বুকের মাংস, রোস্টের মুরগি, পায়ের অংশ, থাই এবং পাখনার নমুনা সংগ্রহ করেন। অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না এমন ২২টি টুকরা পাওয়া গেছে ৯২টি টুকরার মধ্যে।

হোমস জানান, খাবার খেয়ে অসুস্থ হলে আমরা ময়লা বা পচা মাংসের কথা ভাবি। কিন্তু এমনটা হতে পারে ই কোলির কারণে যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করেও দূর করা যায়নি। এর কারণেই মূত্রথলিতে সংক্রমণের মতো রোগ হতে পারে। এই ই কোলি কোনভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

এ ঘটনায় অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতাও প্রশ্নের মুখে পড়লো।

এ গবেষণায় উঠে এসেছে যে বাজারের ৫১ শতাংশ মুরগিতে ই কোলি থেকে যাচ্ছে। এতে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ঝুঁকিপূর্ণ। এ থেকে উত্তরণে আরো গবেষণার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

এ ধরনের সমস্যা খুঁজে বের করতে প্রত্যেক দেশের সরকারের উচিত গবেষণা পরিচালনা করা, জানান হোমস। মুরগি, গরুর মাংস বা ছাগলের মাংস প্রত্যেক ক্ষেত্রে গবেষণা চালানো দরকার। যদি সমস্যা থাকে তবে সমাধানে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ অতি জরুরি বিষয়। সূত্র : হাফিংটন পোস্ট

 


মন্তব্য