kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শরীরে কি খুব দুর্গন্ধ হয়? তবে এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলো

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:৩৭



শরীরে কি খুব দুর্গন্ধ হয়? তবে এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলো

শরীরে দুর্গন্ধের জন্য সব সময় সস্তা পারফিউম বা জীবাণু দায়ী হয় না। অনেক সময় আপনার ডায়েট চার্টের মধ্যেও লুকিয়ে থাকে এর কারণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশ কিছু খাবারের মধ্যের উপাদানগুলি ভেঙে গিয়ে গ্যাস সৃষ্টিকারী যৌগ তৈরি হয়। আর সেই যৌগ কখনও ঘামের সঙ্গে আবার কখনও নিঃশ্বাসের সঙ্গে বাইরে এসে দুর্গন্ধ তৈরি করে। এগুলি প্রত্যেকটিই শরীরের পক্ষে উপকারী। তবুও দুর্গন্ধ এড়াতে এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলো। কোন কোন খাবার থেকে শরীরে দুর্গন্ধ হতে পারে জেনে নিন :

মশলাদার খাবার : জিরে এবং অন্যান্য মশলা সালফারজাতীয় গ্যাস উৎপন্ন করে। সেই গ্যাস লোমকূপ এবং নিঃশ্বাসের সঙ্গে নির্গত হয়। তাই মশালাদার খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল।

পেঁয়াজ : পেঁয়াজের মধ্যে সালফারজাতীয় উপাদান রয়েছে। যা থেকে সালফারজাতীয় গ্যাস তৈরি হয়। তাই পেঁয়াজ শরীরের পক্ষে উপকারী হলেও পার্টিতে যাওয়ার কথা থাকলে তা এড়িয়ে চলাই ভাল।

রসুন : রসুনের ক্ষেত্রেও বিষয়টা এক। রসুনের মধ্যে থাকা সালফারজাতীয় উপাদান ভেঙে রক্তে মেশে। যা দেহে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।

ব্রকোলি, বাধাকপি : এই সবজিগুলো খেলেও অনেক সময় বাজে গন্ধ তৈরি হয় দেহে।

প্রসেসড সুগার : মিষ্টি, চকোলেট, ক্যান্ডি বেশি করে খেলে দেহে অতিরিক্ত ফ্যাটি আসিড জমে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। যার ফলে রক্তে ইস্টের পরিমাণ বাড়ে। ফলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।

অ্যাসপারাগাস : ভিটামিন বি-৬, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম-সহ একাধিক উপকারী উপাদানে ভরপুর। তবে এর মধ্যেও সালফারজাতীয় উপাদান রয়েছে। তাই বেশি খেলে দেহে দুর্গন্ধ হয়। মূত্র ত্যাগের সময়ও সেই দুর্গন্ধ নির্গত হয়।

অত্যধিক দুধ : দুগ্ধজাত উপাদান ভেঙে হাইড্রোজেন সালফাইড এবং মিথাইল মারক্যাপশন তৈরি হয়। যা দুর্গন্ধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

শর্করাজাতীয় খাদ্য : এই জাতীয় খাবার রক্তে কিটোন বডি তৈরি করে। যা দুর্গন্ধ তৈরি করার জন্য দায়ী।

দানাশস্য : শরীরের পক্ষে ফাইবার খুবই জরুরি। কিন্তু অত্যধিক খেলে শরীরে গ্যাস তৈরি হয়। ঠিকঠাক হজমের জন্য তাই বেশি করে জল খাওয়া উচিত।

অ্যালকোহল : অ্যালকোহল শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। যাঁরা বেশি মাত্রায় অ্যালকোহল খান, তাঁদের ঘামের সঙ্গে মিশে তা বেরোয়। ফলে দেহ ও মুখে দুর্গন্ধ হয়।


মন্তব্য