kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অনলাইনে কেন নিজের উরুর ছবি পোস্ট করছেন মেয়েরা?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:৪৬



অনলাইনে কেন নিজের উরুর ছবি পোস্ট করছেন মেয়েরা?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে মেয়েরা নিজের উরুর ছবি পোস্ট করছেন। আর এর পেছনে রয়েছে অনলাইনের একটি আন্দোলন।

এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

বেশ কয়েকটি হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে বিশ্বের নানা প্রান্তের নারীরা অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের উরু ও অন্যান্য অংশের ছবি শেয়ার করছেন। যদিও এর পেছনে রয়েছে নির্দিষ্ট একটি কারণ।

যে কারণে এ প্রতিবাদ
দেখতে যেমনই দেখতে হন না কেন, অনলাইন, প্রিন্ট কিংবা টেলিভিশনে নিজের ভালো একটি ইমেজ তৈরি করতে সচেষ্ট হন নারীরা। আর এটি বহু সমস্যা তৈরি করে। নারীরা বাধ্য হন নিজে যা নন, সেই চিত্র উপস্থাপন করতে। নানা ধরনের কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করে দেহকে আকর্ষণীয় রূপে উপস্থাপনের জন্য বাধ্য হন তারা। হ্যাশট্যাগগুলোর মাধ্যমে এ বিষয়টির প্রতিবাদই করছেন নারীরা।

অনেকেই কষ্টকর নানা শারীরিক অনুশীলন ও শল্য চিকিৎসকের ছুরির নিচে নিজেকে নিয়ে যান। যদিও এ বিষয়গুলো যে কৃত্রিম, তা আর উল্লেখ করা হয় না। কৃত্রিমতা কোনোক্রমেই স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না। আর এর কারণ বিষয়টি অস্বাস্থ্যকর।

অনলাইনে সারা বিশ্বের নারীরা এ অস্বাস্থ্যকর অনুশীলনের প্রতিবাদে নেমেছেন।
২৬ আগস্ট টুইটারে দক্ষিণ আফ্রিকার ২১ বছর বয়সী এক নারী তার থাইয়ের ছবি পোস্ট করেন। এরপর তার বহু অনুসারীও অনুরূপ ছবি পোস্ট করে বিষয়টির প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

তিনি ঘোষণা করেন, গ্রীষ্মের গরমে দেহ গোপন করে রাখার তুলনায় তা উন্মুক্ত করাকেই তিনি পছন্দ করেন। আর এ ক্ষেত্রে অন্যরা কী মনে করল, তা নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই। এ জন্য তিনি #ThighsForJeaux হ্যাশট্যাগে নিজের থাইয়ের ছবি পোস্ট করেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় তার এ ছবি ব্যাপক পরিচিত পায়।

এরপর এ বিষয়টি আরও বহু নারীকে অনুপ্রাণিত করে। তারা অনেকেই সেই হ্যাশট্যাগে এ ঘটনার প্রতিবাদে নিজের থাইয়ের ছবি পোস্ট করেন। আবার কখনও কখনও নিজের বানানো হ্যাশট্যাগে ছবি পোস্ট করেন।

এ প্রতিবাদের মূল বক্তব্য হলো, অনলাইনে কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের যেমনটা চিত্র আদর্শ বলে মনে করা হয়, তা ঠিক নয়। বাস্তবে একজন নারীর উরু কিংবা থাই যে তেমনটাই হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।


মন্তব্য