kalerkantho


আপনার জীবনধারা বদলে দেবে যে ১০টি বই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ মার্চ, ২০১৬ ১৫:৫১



আপনার জীবনধারা বদলে দেবে যে ১০টি বই

আধুনিক যুগে মানুষের ব্যস্ততা বেড়েই চলেছে। প্রতিযোগিতার কারণে আত্মোন্নয়ন জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

সকাল সকাল ঘুম থেক উঠে বাইরে শ্রম ঢেলে সময়মতো ঘুমাতে যাওয়াতে আত্মোন্নয়ন হয় না। এখানে বিশেষজ্ঞরা ১০টি বইয়ের তালিকা দিয়েছেন। এগুলো পড়লে আপনার জীবনধারা বদলে যাবে। পড়ে থাকলে তো কথাই নেই। আর না পড়লে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

১. ড্যানিয়েল গোলম্যানের 'ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স' : এই বইয়ে মনোবিজ্ঞানী, লেখক এবং পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী উন্মোচন করেছেন ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের যত রহস্য। মানুষের জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপে এটি কিভাবে কার্যকর হয় তাও জানিয়েছেন এখানে। কিভাবে এটি প্রভাব ছড়ায় এবং কিভাবে একে চরমে নিতে হয় তাও শেখানো হয়েছে।

২. মিহালি সিস্কোসজেনমিহালাই 'ফ্লো' : জীবনটাকে উপভোগ করার চাবিকাঠি কি? এটা আসলে স্রোত যা জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

ইতিবাচক মনোবিজ্ঞান, সৃষ্টিশীলতা এবং উদ্দীপনা নিয়ে শীর্ষস্থানীয় গবেষকদের একজন মিহালি। জীবন, সম্পর্ক এবং গোটা বিশ্ব নিয়ে আত্মোন্নয়ন, আত্ম-সচেতনতা এবং সময় সম্পর্কে পরিষ্কার জ্ঞানের মাধ্যমে সফলতা আনার প্রক্রিয়া শেখানো হয়েছে বইটিতে।

৩. ডেল কার্নেগির 'হাউ টু স্টপ ওরিং অ্যান্ড স্টার্ট লিভিং' : নিজেকে উন্নত করার প্রক্রিয়া তুলে ধরেছেন এই বিখ্যাত লেখক। দুশ্চিন্তাকে দূর করে কিভাবে বাঁচার মতো বেঁচে থাকার সন্ধান মেলে তার উপায় বাতলে দিয়েছেন বইটিতে। কার্নেগি নিজের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে এ বইটি লিখেছেন।

৪. ড্যানিয়েল পিঙ্কের 'ড্রাইভ' : আধুনিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো অনুপ্রেরণার বিষয়টিকে ভুল ব্যাখ্যা করছে বা ভুল উপায়ে এর চর্চা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বইয়ে অন্তর্মুখী এবং বহির্মুখী অনুপ্রেরণার কথা তুলে ধরা হয়েছে যা কোনো প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে পারে।

৫. ক্লেটন এম ক্রিস্টেনসেন, জেমস অলওর্থ এবং কারেন ডিলিয়নের 'হাউ উইল ইউ মেজার ইওর লাইফ?' : পেশা এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য আনতে কি করবেন? এর সুষ্ঠু জবাব মিলবে এ বইয়ে। দীর্ঘমেয়াদি সুখ লাভের উপায় রয়েছে এতে। একজন শীর্ষস্থানীয় বিজনেস এক্সপার্ট হিসাবে তিনি পেশাগত জীবন এবং ব্যক্তিজীবনের মধ্যে সমন্বয়ের আদর্শ উপায় খুঁজে পেয়েছেন যার শিক্ষা দিয়ে বইটির মাধ্যমে।

৬. ডেল কার্নেগির 'হাউ টু উইন ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স পিপল' : নিজেকে অন্যের কাছে পছন্দনীয় করে তুলে ধরতে বইটি লেখকের ক্লাসিক উপহার। অন্যকে কিভাবে নিজের বন্ধুতে পরিণত করা যায় এবং তাদের সহায়তা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব, তার কার্যকর উপায় বলে দিয়েছেন তিনি।

৭. রিচার্ড ওয়াইজম্যানের '৫৯ সেকেন্ডস' : এক মিনিটেরও কম সময়ে নিজের ভেতরে প্রবেশ করে অনেক কিছু বদলে দেওয়ার কিছু মৌলিক নিয়ম শিখিয়েছেন এই মনোবিজ্ঞানী। তাকে বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং উদ্ভাবনী গবেষক বলা হয়। এই বইয়ে যা লিখেছেন তার পেছনে বৈজ্ঞানীক গবেষণা রয়েছে।

৮. স্কট জি হ্যালফোর্ডের 'অ্যাক্টিভেট ইওর ব্রেন' : বহু বৈজ্ঞানীক গবেষণার পরও মানুষের মস্তিষ্কের রহস্য এখনো পুরোপুরি উদঘাটিত হয়নি। তবুও বেশি কিছু মহা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিজ্ঞানীরা পেয়ে গেছেন। অর্থপূর্ণ এবং কার্যকরভাবে মস্তিষ্কের ব্যবহার শিখিয়েছেন লেখক। নিউরোসায়েন্সের যাবতীয় অগ্রগতি এখানে কার্যকর হয়েছে।

৯. অ্যামি মোরিনের '১৩ থিংস মেন্টালি স্ট্রং পিপল ডোন্ট ডু' : ব্যবসা করতে চান বা বই লিখতে। কিছু একটা আপনাকে আটকে রেখেছে? যদি তাই হয়, তবে সময় হয়েছে মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠা। বইটিতে তিনি শক্ত মনের মানুষের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এর মাধ্যমে মনের যাবতীয় সীমাবদ্ধতা ভেঙে নতুনভাবে জীবনের পথে হাঁটা যাবে।

১০. কেন রবিনসনের 'ফাইন্ডিং ইওর এলিমেন্ট' : বিখ্যাত লেখক, বক্তা এবং শিক্ষক স্যার কেন রবিনসনের বইটিতে নিজের মধ্যকার সৃষ্টিশীলতা ও মেধা খুঁটিয়ে বের করে আনার পদ্ধতি শেখানো হয়েছে। এখানে নিজের উৎপাদনশীলতা বের করে আনার উপায় বাতলে দেওয়া হয়েছে যার মাধ্যমে মিলবে সুখ ও গুণগত জীবন। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

 


মন্তব্য