kalerkantho


ক্যানসার চিকিৎসায় পদার্থবিদদের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার

   

২২ মার্চ, ২০১৬ ১৮:১৮



ক্যানসার চিকিৎসায় পদার্থবিদদের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার

গণবিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল ফিজিক্স অ্যান্ড বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ মেডিক্যাল ফিজিক্স সোসাইটি (বিএমপিএস) ও ন্যাশনাল ইনিস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটালের সহযোগিতায় 'ক্যানসার চিকিৎসায় পদার্থবিদদের ভূমিকা'  শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মহাখালি ক্যানসার হাসপাতাল মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের চিকিৎসা পদার্থবিদ্যার পথপ্রদর্শক জার্মানির কোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রফেসর ড. গোলাম আবু জাকারিয়া। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটালের পরিচালক প্রফেসর ডা. মোশাররফ হোসেন এবং রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা।

সেমিনারে বক্তারা ক্যানসার চিকিৎসায় মেডিক্যাল ফিজিসিস্ট বা চিকিৎসা পদার্থবিদদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান বক্তা প্রফেসর ড. গোলাম আবু জাকারিয়া বলেন, "উন্নত মানের ক্যানসার চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি হাসপাতালে অন্তত দুইজন করে মেডিক্যাল ফিজিসিস্ট আবশ্যক। বাংলাদেশের অনেক হাসপাতালে সিঙ্গাপুর ও ব্যাংককের মতো ক্যানসার চিকিৎসার যন্ত্রপাতি থাকলেও পর্যাপ্ত মেডিক্যাল ফিজিসিস্টের অভাবে যথাযথভাবে ক্যানসার চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে শত শত ক্যানসার রোগী বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের একটি বিরাট অর্থ বাইরের দেশে চলে যাচ্ছে। "

ড. গোলাম আবু জাকারিয়া আরো বলেন, "বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসা হলেও নেই পর্যাপ্ত পরিমাণ মেডিক্যাল ফিজিসিস্ট। মূলত ক্যানসার চিকিৎসায় চিকিৎসক ছাড়াও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন মেডিক্যাল ফিজিসিস্টরা। এ কারণে বাংলাদেশের ক্যানসার চিকিৎসাকে আরো উন্নত করার প্রয়াসে প্রফেসর ড. গোলাম আবু জাকারিয়ার সহায়তায় ২০০০ সালে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মেডিক্যাল ফিজিক্স অ্যান্ড বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চালু করা হয়। "

 


মন্তব্য