kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'বেশির ভাগ মানুষই অস্বাভাবিক যৌন আকাঙ্ক্ষা অনুভব করেন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ মার্চ, ২০১৬ ১৪:৩৭



'বেশির ভাগ মানুষই অস্বাভাবিক যৌন আকাঙ্ক্ষা অনুভব করেন'

নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বেশ কিছু যৌন আচরণকে অস্বাভাবিক বা বিদঘুটে বলে গণ্য করি আমরা। অথচ সাধারণ মানুষের মাঝে এ ধরনের আচরণ অতি স্বাভাবিক এবং গ্রহণযোগ্য দেখা গেছে।

ডায়াগনস্টিক ম্যানুয়াল অব মেন্টাল ডিসঅর্ডারস ফিফথ অ্যাডিসনে বলা হয়, যৌন আকাঙ্ক্ষাকে দুটো ভাগে ভাগ করা যায়। স্বাভাবিক (নর্মোফিলিক) এবং অস্বাভাবিক (প্যারাফিলিক)।

কানাডার কুইবেকের ১ হাজার ৪০ জন মানুষের তথ্য নেওয়া হয়। এদের জনসাধারণের প্রতিনিধি বলে ধরে নেওয়া হয়। এদের সঙ্গতিপূর্ণ ও অসঙ্গিপূর্ণ যৌন আচরণ সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হয়। গবেষণাপত্রটি 'দ্য জার্নাল অব সেক্স রিসার্চ'-এ প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়, মানুষের মাঝে ৮ ধরনের অস্বাভাবিক ও খাপছাড়া যৌন আচরণ দেখা গেছে। তবে এদের মধ্যে ৪টি অনেকের কাছে খুব বিরল প্রকৃতির বলে মনে হয় না।

এক গবেষক প্রফেসর ক্রিস্টিয়ান জয়াল জানান, ৪৫.৬ শতাংশ মানুষ এ ধরনের অসঙ্গিপূর্ণ যৌন আচরণের প্রতি আকৃষ্ট। আবার ৩৩ শতাংশ অন্তত একবার অস্বাভাবিক যৌন অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন।

সাধারণ মানুষ মনে করেন, অস্বাভাবিক যৌন আকাঙ্ক্ষা খুব অল্প মানুষের মাঝে থাকে। কিন্তু বিষয়টি তা নয়। অস্বাভাবিক আচরণ বহু মানুষের মাঝে দেখা যায়।

গবেষণায় বলা হয়, ৩৫ শতাংশ যৌনকর্মকে ভিডিওতে ধারণ করতে ইচ্ছুক। ২৬ শতাংশ বিভিন্ন জিনিস বা অঙ্গ যৌনকর্মে ব্যবহার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ২৬ শতাংশ যৌনাঙ্গে মারাত্মকভাবে হাতের ব্যবহার উপভোগ করেন। এ ছাড়া ১৯ শতাংশ সঙ্গী-সঙ্গিনীকে ব্যথা দেওয়ার মাধ্যমে যৌনতৃপ্তি লাভ করেন। এ সবই অস্বাভাবিক যৌন আচরণের লক্ষণ। দ্বিতীয় এবং চতুর্থ অবস্থার প্রতি আকর্ষণের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে তেমন পার্থক্য দেখা যায় না। বরং বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে নারীরা আরো বেশি তৃপ্তি লাভ করেন।

প্রফেসর জয়াল জানান, তবে নারীদের চেয়ে পুরুষরা অস্বাভাবিক যৌন কর্মকাণ্ডের প্রতি বেশি আকৃষ্ট। আবার তার অর্থ এই নয় যে, নারীদের যৌন চাহিদায় কোনো বৈচিত্র্য নেই।
সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

 


মন্তব্য