নতুন প্রজাতির সাপ-332427 | বিবিধ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০১৬। ১৬ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৮ জিলহজ ১৪৩৭


নতুন প্রজাতির সাপ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ মার্চ, ২০১৬ ১৩:৪৭



নতুন প্রজাতির সাপ

২০০৭ সালে তোলা একটি সাপের ছবি দেখে কৌতুহলী হয়ে পড়েছিলেন এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ জিশান এ মির্জা। আর এ কৌতুহল থেকেই পরবর্তীতে অনুসন্ধান শুরু হয়। এ ঘটনার নয় বছর পর নতুন প্রজাতির এ সাপটি আবিষ্কার করা সম্ভব হয়। সাপটির নাম দেওয়া হয়েছে ওয়ালাসিওফিস (Wallaceophis )। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ডিএনএইন্ডিয়া।
সম্প্রতি ভারতের গুজরাটে এ প্রজাতির সাপটি আবিষ্কার করা হয়েছে। এটি আবিষ্কার করেছেন গবেষকদের একটি দল। গবেষকরা জানিয়েছেন, এ সাপটি শুধু নতুন প্রজাতিই নয়, অন্য সাপের প্রজাতি থেকেও এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
এ সাপটি আবিষ্কারের কাহিনী জানিয়ে মি. মির্জা বলেন, ‘আমি ২০০৭ সালে প্রকাশিত রাজু ভায়াসের একটি ছবিতে সাপটিকে প্রথম দেখতে পাই। সে সময় আমি সম্মানের ছাত্র ছিলাম এবং সাপ উদ্ধার করার কাজে নিয়োজিত ছিল। আমি দেখতে পাই একটি সাপ অন্যগুলো থেকে আলাদা এবং তার পরিচয়ও নেই। সে সময় আমি আর সাপটি পাইনি। তবে তার ছবি ছিল।’
পরবর্তীতে তিনি এ সাপটির খোঁজখবর নিতে থাকেন। ২০১৪ সালে জানা যায়, স্থানীয় একজন সাপ উদ্ধারকারী মাহেতা সে ছবিটির মতো দেখতে একটি সাপ উদ্ধার করেছেন।
মির্জা বলেন, সাপটির সন্ধান পাওয়ার পর আমরা তার পরিচয় উদ্ধারের চেষ্টা করি। সে সময় সন্যপ নামে একজন গবেষকের সহায়তায় সাপটির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করা হয়।
সঠিকভাবে জাত নির্ণয়ের জন্য সাপটির দাঁতের সংখ্যা, হাড় ও ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। এতে সাপটির কাছাকাছি প্রজাতি হিসেবে কলুব্রিড সাপকে নির্ণয় করা হয়। তবে বিভিন্ন বৈশিষ্ট পর্যালোচনা করে কোনো সাপের প্রজাতির সঙ্গেই এর হুবহু মিল পাওয়া যায়নি। ফলে এটিকে সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতি হিসেবেই ধরা হয়।
এ সাপটির আবিষ্কারের বিস্তারিত নিয়ে গবেষকরা একটি গবেষণাপত্র লেখেন। এ গবেষণাপত্রটি ৩ মার্চ প্রকাশিত হয়েছে। ফলে গবেষকরা নতুন প্রজাতির এ সাপটি সম্পর্কে ঘোষণা দিতে সক্ষম হয়েছেন।
প্লস ওয়ান জার্নালের সাম্প্রতিক সংখ্যায় এ সাপটির বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ সাপটি আবিষ্কারকদের দলে রয়েছেন জিশান এ মির্জা, রাজেশ সান্যাপ, রাজু ভায়াস, হারশিল প্যাটেল ও জয়দিপ মাহেতা।

মন্তব্য