অস্বস্তির পরও যে কাজে বাধ্য হয়-332418 | বিবিধ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বুধবার । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৩ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৫ জিলহজ ১৪৩৭


অস্বস্তির পরও যে কাজে বাধ্য হয় তরুণীরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ মার্চ, ২০১৬ ১৩:২০



অস্বস্তির পরও যে কাজে বাধ্য হয় তরুণীরা

অনলাইনে তরুণীদের যৌন নির্যাতন ও হয়রানি নিয়ে এক জরিপে বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন তরুণীরা। তাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে সাত জনই জানিয়েছেন, অনলাইনে যৌন হয়রানি ও নিগ্রহ অনেকটা মহামারি আকার ধারণ করেছে। এছাড়া অলনাইনে ও স্মার্টফোনের মাধ্যমে ছড়িয়ে যাওয়া যৌনতামূলক ছবি বিষয়েও বেশ কিছু তথ্য জানা গেছে জরিপ থেকে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
অস্ট্রেলিয়ায় এক জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ তরুণীই খোলামেলা ছবি সঙ্গীকে পাঠাতে দ্বীধাবোধ করে। তার পরও চাপের কারণে তারা তা পাঠাতে বাধ্য হয়।
জরিপে অংশ নেয় অস্ট্রেলিয়ার ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছয় শতাধিক তরুণী। তারা জানায়, নিজেদের খোলামেলা ছবি তুলতে তারা মোটেই আগ্রহী নয়। তার পরও ছেলেবন্ধুর চাপে পড়ে তাদের অনেকেই নিজের খোলামেলা কিংবা যৌনতামূলক ছবি পাঠাতে বাধ্য হয়।
জোসি নামে ১৮ বছর বয়সী একজন তরুণী জানান, এখন জরুরি ভিত্তিতে অনলাইনের নৃশংস ছবিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, ‘এটি নারীর প্রতি পুরুষের আচরণকে প্রভাবিত করে এবং তারা কোন বিষয়টি গ্রহণ করবে তা ভুলভাবে ধারণা করে।’
১৬ বছর বয়সী অন্য একজন তরুণী তার নাম প্রকাশ না করেই জানান, বর্তমানে অনলাইনে যে হিংস্র পর্নোগ্রাফি চলছে, তা বন্ধ করার জন্য উদ্যোগ প্রয়োজন।
২০১৪ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, বহু নারীই জানান অনলাইনে দেখা পর্নোগ্রাফির কারণে অনেকেরই যৌনতায় এমন সব বিষয়ে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয় যা বাস্তবসম্মত নয়। এতে দেখা যায়, বিপরীতকামী দম্পতিদের মাঝে পায়ুপথে যৌনতার প্রবণতা নারীদের যন্ত্রণাময় ও ঝুঁকিপূর্ণ যৌনতা দেয়।
গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয় বিএমজে ওপেন জার্নালে। এতে সাধারণ শিক্ষায় যৌনতার বিষয়টি তুলে ধরাকে একটি উভয় সঙ্কট বলে ধরা হয়েছে। কারণ বিষয়টি সঠিকভাবে জানার অভাবে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ যৌনতার কারণে সমস্যায় পড়েন। অন্যদিকে এ বিষয়টি শিক্ষার মাধ্যমে জানানোটাও অনেকের জন্য অস্বস্তিকর।

মন্তব্য