যৌনতার নেপথ্যে রয়েছে টিকে থাকার-331298 | বিবিধ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


যৌনতার নেপথ্যে রয়েছে টিকে থাকার তাগিদ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ মার্চ, ২০১৬ ১৫:২০



যৌনতার নেপথ্যে রয়েছে টিকে থাকার তাগিদ

বিবর্তনের ধারায় যৌনতা বহু প্রাণীর জন্যই একটি স্বাভাবিক বিষয়। প্রাণীরা যৌনতার মাধ্যমে প্রকৃতিতে বংশবিস্তার করে এবং নিজের বংশধারা টিকিয়ে রাখে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
প্রাণীরা যৌনতার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে একথা কে না জানে। এটি বিবর্তনের ধারায় প্রাণীদের বংশ টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করে। এ প্রক্রিয়াকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলা হয়। যেখানে যে নিজের বংশ টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয় সেই যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
বিবর্তনবাদের এ ধারায় একটি বিষয় প্রায়ই উল্লেখ করা হয়না। এটি হলো কিছু প্রাণী যৌনতা ছাড়াই বংশবিস্তার করে। এ ধরনের প্রাণীদের বলা হয় ‘এসেক্সুয়াল’। তবে যৌনতা ছাড়া বংশবিস্তারকারী প্রাণীর সংখ্যা কম।
কী কারণে কিছু প্রাণী যৌনতার মাধ্যমে বংশবিস্তার করে এবং কিছু প্রাণী যৌনতা ছাড়াই বংশবিস্তার করে এ বিষয়টি এখনও গবেষকরা নিশ্চিত নন। সম্প্রতি গবেষকরা এ বিষয়টি নিয়ে প্রচুর অনুসন্ধান করছেন। এতে ২০টিরও বেশি হাইপোথিসিস তৈরি হয়েছে।
যৌনতায় সাধারণত মা ও বাবা উভয়ের কিছু বৈশিষ্ট্য নিয়ে নতুন প্রজন্মের জন্ম হয়। কিন্তু এ ধারার বাইরে যারা রয়েছে তাদের শুধু একজনের বৈশিষ্ট্য নিয়েই জন্ম হয়। এ ধরনের প্রাণীর মধ্যে রয়েছে কিছু মাছ, সরীসৃপ, গাছপালা ও পোকামাকড়।
তবে যেসব প্রাণী যৌনতার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি না করে অন্য উপায়ে বংশবৃদ্ধি করে সেসব প্রাণীর সংখ্যা খুবই কম। এ তথ্য থেকে সহজেই বোঝা যায়, প্রাণীর টিকে থাকার জন্য যৌনতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অবশ্য তার পরেও কিছু প্রাণী কিভাবে যৌনতা ছাড়া টিকে রয়েছে, তা নিয়ে গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। এ ধরনের প্রাণীর নিজস্ব ক্ষেত্র ও টিকে থাকার জন্য লড়াই করার স্থান অন্যদের তুলনায় ভিন্ন কি না, তা নিয়ে গবেষণা চলছে। গবেষকরা বলছেন, কিছু প্রাণী যৌনতা ছাড়াই বংশবৃদ্ধি করে সফলভাবে টিকে রয়েছে।
কিন্তু এক্ষেত্রে কিভাবে প্রাকৃতিক নির্বাচন কাজ করে এ বিষয়টি নিয়ে সঠিক জ্ঞানের অভাব রয়েছে, তা বিজ্ঞানীরা স্বীকার করছেন। কারণ, এতে ‘মিউটেশনাল ডেথ’ হয় না। ফলে বেঁচে থাকার জন্য ‘অযোগ্য’রাও বাঁচার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

মন্তব্য