kalerkantho


কর্মীকে মানসিক চাপমুক্ত রাখতে...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৯ জুলাই, ২০১৮ ০৯:২২



কর্মীকে মানসিক চাপমুক্ত রাখতে...

ছবি অনলাইন

অনুকরণীয় হয়ে উঠুন

ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মীদের কাছে নিজেই এক উদাহরণ হয়ে উঠুন। এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে নৈপুণ্যের সঙ্গে এবং নিবেদিত হয়ে সবাই কাজ চালিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ হবে। আর এটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ।

অটুট বন্ধন তৈরি

একজন নতুন কর্মীকে পুরনোদের সঙ্গে একে একে পরিচয় করিয়ে দেওয়াতেই অনেক সমস্যা মিটে যেতে পারে। এতে পুরনোদের কাছে নতুন কর্মী গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেন। এটা একটা উদাহরণমাত্র। কর্মীদের মধ্যে সদ্ভাব গড়ে তোলার গুরুদায়িত্ব ব্যবস্থাপকের ওপরই বর্তায়। কিংবা তিনিই কাজটি খুব সহজে করতে পারেন। মাঝেমধ্যে মিটিংয়ে বসা, একসঙ্গে খাওয়ার আয়োজন কিংবা ঘুরতে যাওয়ার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো সম্ভব। এতে কর্মীরাও চাপমুক্ত থাকে।

একটু শিথিলতা থাক

এটা অবশ্য কাজের চাপ এবং পরিস্থিতি বুঝে করতে হবে। সুযোগ থাকলে কর্মীদের ওপর কাজের বোঝা কমাতে হবে। চরম ব্যস্ততার মধ্যে শিথিলতা আনতে হবে। এভাবে উৎপাদনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব। তবে এটা করতে গিয়ে লক্ষ্য অর্জন যেন অধরা না হয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

চাপমুক্তির বিশেষ ব্যবস্থা

অফিসের একটি-দুটি স্থান ‘ডি-স্ট্রেস জোন’ হিসেবে গড়ে তুলুন। সেখানে ইনডোর খেলার আয়োজন রাখা যায়। যেমন—কিছু সময় কর্মীরা পুল বা টেবিল টেনিস কিংবা এ ধরনের খেলার সুযোগ পেলেন। তবে এ স্থানগুলো প্রযুক্তিমুক্ত রাখা বাঞ্ছনীয়। ইয়োগা সেশনও কিন্তু দারুণ বিষয়। আধুনিক অফিসগুলোতে এমন উদ্যোগ বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য রক্ষা

অফিস থেকে প্রত্যেক কর্মীর স্বাস্থ্য বীমা করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। এতে তাঁদের মধ্যে আরো বেশি দায়িত্ববোধ জাগ্রত হবে। তাঁরা প্রতিষ্ঠানকে নিজের বলে ভাবতে পছন্দ করবেন। মানসিক চাপ অনেকটা প্রশমিত হবে। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান কর্মীদের স্বাস্থ্য রক্ষায় কিছুটা বিনিয়োগও করতে পারে।

-- টাইমস জবস অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার



মন্তব্য