kalerkantho


যে আচরণে বোঝা যায় আপনি পেশাদার নন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মে, ২০১৮ ১৫:১১



যে আচরণে বোঝা যায় আপনি পেশাদার নন

ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে কেবল মেধা ও সৃষ্টিশীলতাই যথেষ্ট নয়। এগোনোর প্রক্রিয়ায় গতি জোগায় আপনার পেশাদান আচরণ। নেতিবাচক কিছুর পেছনে আপনার বদভ্যাসও কাজ করে। এখানে বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু লক্ষণের কথা তুলে ধরেছেন যা আপনাকে কেবলই পেছনে ফেলে রাখবে। এগুলো ক্যারিয়ারের অন্তরায়। হয়তো মনে হবে বিষয়টা সাধারণ। কিন্তু এগুলোই পিছিয়ে পড়ার বড় কারণ হয়ে ওঠে। 

নেতিবাচক আচরণ 
যেকোনো কাজ হাতে এলেই বিরক্তি প্রকাশ করা। কাজের শুরুতে ব্যাপক যন্ত্রণায় আছেন এমন লক্ষণ আপনার কথা ও ভাব-ভঙ্গীতে স্পষ্ট হওয়া ভালো কথা নয়। এতে সবাই মনে করবে যে আপনি এখানকার কোনো কাজে আসলে মন বসাতে পারছেন না। অর্থাৎ, এ চাকরি আপনার জন্যে নয়। না সিঁটকানো স্বভাব এবং এ ধরনের আচরণ সহকর্মীদের সঙ্গেও করে বসা অপেশাদারিত্বের নামান্তর। কাজে সমস্যা থাকবেই। এটা নিয়ে ক্রমাগত অভিযোগ না তুলে সমাধানের চেষ্টা করুন। একমাত্র ইতিবাচক মনোভাব আপনাকে কাজের শক্তি জোগাতে পারে। 

কাজের টেবিলে বসে আসলে কী করেন? 
সেখানে বসে মাঝে মধ্যেই সেলফি তুলতে থাকেন? সোশাল মিডিয়ায় ঢুকে দিন-দুনিয়া হারিয়ে ফেলেন? কিংবা স্মার্টফোনে গেম খেলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন? মনে রাখবেন, এসব কাজ আপনি সবার চোখের আড়ালে করছেন বলে ভেবে থাকলে ভুল করেছেন। বস কিংবা সহকর্মীরা দেখছেন আপনি কীভাবে কাজে ফাঁকি দিচ্ছেন। এগুলো ভবিষ্যতে আপনার এগোনোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। 

আড্ডা আর আড্ডা 
সহকর্মীদের নিয়ে এককাপ কফি খেয়ে আসা মানানসই। কিন্তু চায়ের টেবিলে বসে আড্ডায় হারিয়ে গেলে বিপদ। কিংবা ব্যক্তিগত মোবাইল কলে প্রচুর সময় নষ্ট করা মোটেও ঠিক কাজ নয়। আবার জরুরি হলে আপনি কিছু বেশি সময় চায়ের টেবিলে দিতেই পারেন। তবে এগুলো বার বার করার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে নেবেন। 

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা 
ব্যবহৃত টিস্যুটা যদি টেবিলেই ফেলে রাখেন তো আপনার পরিচ্ছন্নতাবোধ বলতে কিছু নেই। কিংবা টেবিলে বসে অস্বস্তিকর শব্দে ঢেকুর তুলবেন না। এগুলো বাজে অভ্যাস। অন্যের কাছে বিরক্তিকর তো বটেই। কর্মদিবসে অফিসে নিজের টেবিল এবং সম্ভব হলে আপনার আশপাশের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখবেন। 
সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস 



মন্তব্য