kalerkantho


ওজন সামলাতে আয়ুর্বেদ তরিকা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০৮:২৭



ওজন সামলাতে আয়ুর্বেদ তরিকা

ছবি অনলাইন

আধুনিক জীবনের অস্বাস্থ্যকর সমস্যাগুলোর অন্যতম হয়ে উঠেছে স্থূলতা। ২০১৬ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক পরিসংখ্যানে জানায়, বিশ্বজুড়ে ১৯০ কোটি মানুষ স্থূলতায় আক্রান্ত। এটা এখন ডায়াবেটিসের মতোই এক ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এর জন্য অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আর বদভ্যাস দায়ী।

স্থূলতা নিরাময়ে আয়ুর্বেদ যা বলছে—

ঘুমের রুটিন নির্ধারণ

গবেষণা বলছে, ঘুম না হলে স্থূলতার সমস্যা দেখা দেয়।

পূর্বপুরুষদের ঘুমের সময়সূচি ছিল সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সঙ্গে। কিন্তু বিদ্যুৎ আবিষ্কারের পর মানুষের জীবনযাপনে পরিবর্তন আসতে থাকে। কৃত্রিমতার দিকে এগোতে থাকে জীবন। বদলে যায় ঘুমের গুণগত মান ও সময়। আয়ুর্বেদ মনে করে, রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ঘুমের সময় নির্ধারণ করা উচিত। এতে প্রকৃতির সঙ্গে খাপ খাবে জীবন।

ঘুম ভাঙার পর ব্যায়াম

সকালে ঘুম ভাঙার পর ব্যায়াম করলে তা দেহ-মনের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী হয়। এ কাজের জন্য ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা আদর্শ সময়। এই সময় প্রকৃতি উচ্ছল ও উদার থাকে। এ সময় স্নিগ্ধতা, ধীরস্থিরতা আর দেহকোষে সতেজতা বিরাজ করে। প্রতিদিন সকালে এ সময়ের মধ্যে অন্তত ৩০-৪৫ মিনিট শরীরচর্চায় মন দিতে হবে। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করে, তাদের দেহে ক্যালরি জমার সুযোগ পায় না।

দুপুরে পেটপুরে খাবার

দুপুরবেলা হজমপ্রক্রিয়া চূড়ায় থাকে। পাকস্থলীতে হজমে অংশ নেওয়া পাচকরস অনেক বেশি নিঃসৃত হয়। তাই দুপুরেই দিনের আসল খাবারে মন দেওয়া উচিত। খাবার যথাযথভাবে হজম না হলে স্থূলতার সমস্যা দেখা দেয়।

ঘুমানোর ৩-৪ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার ঘুমানোর ৩-৪ ঘণ্টা আগেই রাতের খাবার গ্রহণ করতে বলে আয়ুর্বেদ। এতে খাবার হজম হবে। পেট বাড়তে থাকবে না।

হালকা উষ্ণ পানি

পরিবেশ দূষণের প্রভাব পড়ে দেহের ভেতরেও। সেখানে ছড়িয়ে পড়ে বিষাক্ত উপাদান। এ ছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাবার মনের স্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি হয়ে ওঠে। এতে বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও ক্ষোভের মতো আবেগ দেখা দেয়। এসব থেকে মুক্তি দিতে পারে হালকা উষ্ণ পানি। দিনে কয়েকবার সহনীয় মাত্রার গরম পানি পান করতে বলে আয়ুর্বেদ। দেহকে বিষমুক্ত করতে পারলে স্থূলতার মতো ভয়ংকর রোগ দেখা দেবে না।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

 


মন্তব্য