kalerkantho


ভালো বসের যত লক্ষণ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০৯:২৪



ভালো বসের যত লক্ষণ

ছবি অনলাইন

বিভাগটা ছোট হোক বা বড়, অফিসে বসের দায়িত্ব পালন সোজা কথা নয়। তাই কর্মীদের কাছে ‘ভালো’ বস হয়ে ওঠা বিশেষ এক চ্যালেঞ্জ।

বসগিরি মন্দ হলে প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট বিভাগ কখনো সফল হতে পারে না। নতুন বা পুরনো সব কর্মীই তাদের মাথার ওপর আদর্শ বসের ছায়া দেখতে চায়। বস বা বড়কর্তারা কিছু লক্ষণে নিজেদেরও যাচাই করে নিতে পারেন—
 

পছন্দের নির্দিষ্ট কেউ নেই

আস্থাভাজন কর্মী তো কয়েকজন থাকতেই পারে; কিন্তু বস হিসেবে আপনার চোখে নির্দিষ্ট পছন্দের ব্যক্তিত্ব বলতে কেউ থাকবে না। যদি থাকে তাহলে অন্যরা দমে যাবে। কারণ অন্যরা বুঝে নেবে যে আপনি তাদের পছন্দ করেন না। এতে টিমওয়ার্ক নষ্ট হবে।

যন্ত্র নয়, কর্মীরা মানুষ

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, অনেক বস আছেন যাঁরা কর্মীদের লোহালক্কড়ের যন্ত্র বলে মনে করেন। তাদের কাছ থেকে রোবটের কাজ আদায় করতে চান। অথচ কর্মীদের উৎপাদশীলতার চূড়ায় নেওয়ার অর্থ এই নয় যে তাদের ওপর স্টিমরোলার চালাতে হবে।

নতুন কিছুতে উৎসাহী

অনেকেই পরিবর্তন বা নতুনকে গ্রহণ করতে নারাজ; কিন্তু যেখানে আছে সৃষ্টিশীলতা, সেখানে নতুন কিছু আসবেই। আর তা গ্রহণ করে নিতে হবে। যেসব বস কর্মীদের নতুন নতুন আইডিয়ার প্রতি উৎসাহী থাকেন, তাঁরা নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়দের তালিকায় থাকবেন।

সবাইকে বিবেচনায় রাখেন

ভালো বসরা সব কর্মীর চিন্তা-চেতনাকে প্রাধান্য দেন। প্রত্যেককে ব্যক্তিগত গবেষণার জন্য কিছু সময় বরাদ্দ করেন। এতে কর্মীদের সৃষ্টিশীলতার চর্চা বাড়ে।

ভুল নিয়ে ব্যস্ততা নেই

ভুল নিয়ে পড়ে থাকে যারা তারা কেবল সময়ের অপচয় ঘটায়; কিন্তু অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আদর্শ বসরা কখনো কর্মীদের ভুল নিয়ে সীমাহীন সময় অপচয় করেন না। সহায়ক হয়ে ওঠেন

কেবল কাজের নির্দেশনাই নয়, প্রয়োজনে তা গুছিয়ে নিতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন বসরা। আর তাঁরাই হয়ে ওঠেন সবার মনের মতো বস। অভিভাবকের মতো আচরণ থাকে তাঁদের, ঊর্ধ্বতনের মতো নয়।

বাধা সরিয়ে দেন

যাঁরা কর্মীদের পথে বাধ হয়ে দাঁড়ান, ভালো বসের তালিকার ধারেকাছেও ফেলা যায় না তাঁদের। আদর্শ বসরা বরং কর্মীদের কাজের বাধা সরিয়ে দেন।

--বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

 


মন্তব্য