kalerkantho


কর্মীদের অনাস্থার নেপথ্যে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০৯:৩১



কর্মীদের অনাস্থার নেপথ্যে

ছবি অনলাইন

সংশ্লিষ্টতার অভাব

যেখানে সংশ্লিষ্টতার অভাব আছে, সেখানেই আস্থার অভাব। ব্যক্তিগত সম্পর্কে সংশ্লিষ্টতা যেভাবে আস্থা তৈরির কাজ করে, ঠিক সেভাবেই নিয়োগদাতা ও কর্মীর মধ্যে আস্থা তৈরির কাজ করে সংশ্লিষ্টতা।

যোগাযোগ সীমিত হলে সংশয় বাড়ে। এতে কর্মীরা সম্ভাব্য কোনো পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে না পারার উদ্বেগে ভোগে।

স্বল্পমেয়াদি চিন্তা

কোনো কম্পানি অল্প সময়েই লাভবান হতে চাইলে কর্মীরা তা পছন্দ করে না। এডেলম্যানের জরিপে দেখা গেছে, দুই-তৃতীয়াংশ কর্মী মনে করে, তাদের কম্পানি স্বল্পমেয়াদি মুনাফার ওপর বেশি মনোযোগ দেয়।

নিম্নমানের পণ্য

লোকে সাধারণত সেই কম্পানিকেই পছন্দ করে, যারা উচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন, নির্ভরযোগ্য পণ্য তৈরি করে। এমন কম্পানিতে কাজ করাটাও সহজ। আর গ্রাহকরাও তা পছন্দ করে।

অনৈতিক আচরণ

কর্মীরা সাধারণত নৈতিকভাবে সৎ কম্পানির জন্য কাজ করতে পছন্দ করে। যারা পর্দার অন্তরালে কোনো কিছু লুকিয়ে রাখে বা অনৈতিক আরচণ করে, কর্মীরা তাদের পছন্দ করে না।

কুখ্যাতি

কম্পানির যদি কোনো কুখ্যাতি থাকে তাহলে কর্মীদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হয় না। লোকে সাধারণত এমন ব্যবসার জন্য কাজ করে না, যার নেতিবাচক অবদান আছে। আর যারা সেখানে কাজ করে, তারা সেই কম্পানিকে বিশ্বাস করে না।

অদৃশ্য সিইও

এডেলম্যানের জরিপে দেখা গেছে, প্রতি ১০ জনের মধ্যে অন্তত সাতজন চায় তাদের সিইও এসে তাদের সঙ্গে আর্থিক ফলাফল নিয়ে আলোচনা করুক।

যোগাযোগের অভাব

এডেলম্যানের জরিপে দেখা গেছে, ৮১ শতাংশ কর্মী বলেছে, তাদের সঙ্গে সিইওর যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। ৭৫ শতাংশ কর্মী মনে করে, সিইওদের উচিত বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলা।

সূত্র : অনলাইন থেকে



মন্তব্য