kalerkantho


ডিম নিরামিষ! জেনে নিন কীভাবে...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৬:৪৩



ডিম নিরামিষ! জেনে নিন কীভাবে...

অতি জনপ্রিয় এক খাবার ডিম। শিশুদের বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাস্থ্য রক্ষায় যে খাবারগুলো সবচেয়ে পরিচিতের তালিকায় রয়েছে, তাদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয়দের একটি ডিম। এর গুণাগুণ নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে। তবে একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সেটা হলো- ডিম কি নিরামিষভোজীদের খাবার, নাকি মাংসাশীদের। এতে আছে আমিষ। তাই বহুকাল ধরে এটি আমিষখেকোদের খাবার হিসেবেই পরিচিত পেয়ে আসছে। কিন্তু ডিমের এমন কিছু রয়েছে যা এটাকে কেবল আমিষভোজীদের খাবার বলে মত দেওয়া যায় না। একদিক থেকে ডিমকে নিরামিষ বলেও ধরে নেওয়া যায়। কারণ, এতে মাংসল অংশ নেই। নেই কোনো জীবন। 

কিন্তু ডিম আসে মুরগি থেকে। আবার মুরগিকে মেরে ডিম সংগ্রহ করা হয় তা নয়। যেমন- মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয় তাদের মেরে। প্রাণীদের থেকে আসে এমন সব খাবার মাংসাশীদের তালিকার খাবার নয়। এর সেরা উদাহরণ হতে পারে দুধ। 

ডিমের তিনটি অংশ রয়েছে। এর খোসা, সাদা অংশ এবং কুসুম। এর সাদা অংশটি আসলে পানিতে থাকা প্রোটিন অ্যালবুমিনের সাসপেনশন। এতে কোন প্রাণীজ কোষ নেই। কাজেই ডিমের সাদা অংশ নিরামিষ। কাজেই ডিমের সাদা অংশ দিয়ে তৈরি যেকোনো খাবার কৌশলগতভাবে নিরামিষ। 

কুসুমের বড় একটা অংশ কিন্তু নিরামিষ। এই অংশটা আসলে পানিতে থাকা ফ্যাট, কোলেস্টরেল আর প্রোটিনের সাসপেনশন। তবে কথা আছে। যেহেতু এর জননকোষ হলুদ প্রোটিন থেকে কোনভাবেই আলাদা করা যায় না, কাজেই তার প্রাণীজ খাদ্য উপাদান। 

বাণিজ্যিকভাবে যেসব ডিম উৎপাদন করা হয়, তার অধিকাংশেরই উর্বরতা নেই। তাই এটা থেকে কোনো মুরগির বাচ্চা বেরিয়ে আসবে না বলেই ধরে নেওয়া যায়। তাই এটাকে কিন্তু নিরামিষ খাবার হিসেবে ধরেই নেওয়া যায়। 
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া 



মন্তব্য