kalerkantho


হরমোনে গোল বাধাতে পারে...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ আগস্ট, ২০১৭ ১০:৫৩



হরমোনে গোল বাধাতে পারে...

অতিরিক্ত চিনি
মিষ্টিজাতীয় জিনিস খাওয়া অনেকের কাছে নেশার মতো। কিন্তু অতিমাত্রায় খেলেই দেহের ইনসুলিনের মাত্রা ওপরের দিকে লাফ দেয়।

এই হরমোন দেহকে চিনি ব্যবহারের জন্য সক্ষম করে তোলে। এর পরিমাণ এক লাফে বাড়িয়ে দিলে অস্বস্তিকর অনুভূতি, শঙ্কা ও ঘুম চলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। কোনো নারী মেনোপজের আশপাশে অবস্থান করলে তার ক্ষতির মাত্রা এতে আরো বেশি হতে পারে। তাই বলে মিষ্টি খাওয়া ছাড়তে বলেন না বিশেষজ্ঞরা। তবে পরিমাণে কম।

রাতে ঘুম না হওয়া
সারা দিন পরিশ্রমের পর শরীর ‘পুনর্গঠন’ হয় রাতের গভীর ঘুমে। এর বিকল্প নেই। পুষ্টিকর খাবার দিয়েও ঘুমের প্রয়োজন মেটে না। রাতে অন্তত ছয় ঘণ্টা গভীর ঘুম না হলেই দেহের হরমোনব্যবস্থায় অস্থিরতা দেখা দেয়।


ঘুম না হলে ক্ষুধা আনার হরমোনের নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়।

খাওয়া নিয়ে বাছবিচার
অনেকেরই এই অভ্যাস আছে। এতে হরমোন কখনোই স্থিতাবস্থায় আসে না। দেহের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য পুষ্টিকর খাবার দরকার। সব ধরনের খাবারই খেতে হয়। এটা সেটা বাদ দিলে দেহ অনেক স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। অ্যাড্রিনালিন আর থাইরয়েড হরমোনের পতন ঘটে আশঙ্কাজনক হারে।

ওজন
এর তারতম্যে হরমোনের ওপর প্রভাব পড়ে। হঠাৎ ওজন বাড়লে বা কমলে হরমোনের হেরফের ঘটে। স্থূলকায় দেহের নারীদের টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বেশি হবে। আর সরু দেহে কম থাকে। আর পুরুষের ক্ষেত্রে বিপরীতটা ঘটে।

অতিরিক্ত ব্যায়াম
একেবারে ব্যায়াম না করা এবং অতিরিক্ত ব্যায়াম করার ফল কিন্তু ভালো নয়। গবেষকরা দেখেছেন, অতিরিক্ত ব্যায়াম করলে দেহে স্ট্রেস সৃষ্টিকারী হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়।

প্রেমে জড়ালেও!
বিশ্বাস না করলেও এটাই সত্য যে যারা মন দেওয়া-নেওয়ার কাজে ব্যস্ত, তাদের দেহে হরমোনের উত্থান-পতন ঘটে চলেছে। প্রেমে পড়লে অ্যাড্রিনালিন হরমোন চড়তে থাকে। এতে হৃদযন্ত্রের স্পন্দনের হার বেশ বাড়ে। যাদের হৃদরোগ রয়েছে, প্রেম তাদের হৃদযন্ত্রের বেশ যত্ন নেয় বলেই জানান বিশেষজ্ঞরা।

ব্যায়াম থেকে দূরে থাকা
এ কথা প্রমাণিত যে কয়েক ধরনের শারীরিক ব্যায়াম না করলে দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যটা যুতসই মনে হবে না। এর কারণ হলো, দেহ অলস ফেলে রাখার জন্য হরমোনের ভারসাম্যে দুরবস্থা দেখা দেয়।

প্রসাধনী
এই অংশটি নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মাস্কারা কিংবা লিপস্টিক সৌন্দর্য বাড়ায় ঠিকই, কিন্তু অগোচরে হরমোনের সাম্যাবস্থার বারোটা বাজায়। এক গবেষণায় বলা হয়, নারীরা সাধারণত যেসব প্রসাধন ব্যবহার করে, সেগুলোতে গড়ে ১৬৮ রকমের রাসায়নিক পদার্থের দেখা মেলে। এসব উপাদান দেহে প্রবেশ করে হরমোনব্যবস্থায় নাক গলায়।
চিট শিট অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

 


মন্তব্য