kalerkantho


যে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ মার্চ, ২০১৭ ১৪:৪৫



যে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই

এই প্রবন্ধে যে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিকটি সম্পর্কে আলোচনা করা হল সেটি এক কথায় দারুন কার্যকরী। তাই তো এবার থেকে কোনো ধরনের সংক্রমণের চিকিৎসায় বাজার চলতি অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে কাজে লাগাতে পারেন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াহীন এই ঘরোয়া ওষুধটিকে।


তবে এক্ষেত্রে একটা বিষয়ই মনে রাখতে হবে যে, ঠিক সময়ে সংক্রমণকে আটকে দিতে না পারলে মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভাল তারাই একমাত্র এই ওষুধটি খাবেন। খুব বাড়াবাড়ি রকমের সংক্রমণ হলে কিন্তু এই ঘরোয়া ওষুধটি খাবেন না। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ মতন ওষুধ খাওয়াই শ্রেয়।
এই ঘরোয়া ওষুধটি বানাতে যে যে উপরকরণগুলি ব্যবহার করা হবে, সেগুলির বেশিরভাগই অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, যে কারণে সংক্রমণকে আটকাতে এই ওষুধটি এতটা কার্যকরী ভূমিকা নেয়। তাহলে কীভাবে বানাবেন এই মহৌষধিটি, জেনে নিন সে সম্পর্কে...
উপকরণ
১. হলুদ জল- ২ চামচ
২. হর্সরেডিশ (কুঁচি কুঁচি করে কাটা)- ২ চামচ
৩. আদা (কুঁচি কুঁচি করে কাটা)- একটা কাপের এক চতুর্থাংশ
৪. মরিচ- অল্প করে
৫. পেঁয়াজ (কুঁচি কুঁচি করে কাটা)- একটা কাপের এক চতুর্থাংশ
৬. রসুন- একটা কাপের এক চতুর্থাংশ
৭. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার- ৭০০ এম এল এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক ওষুধটি বানানোর পদ্ধতি সম্পর্কে।
ধাপ ১
প্রথমে হাতে গ্লাভস পরে নিন। প্রয়োজন পড়বে।
ধাপ ২
ভিনিগার ছাড়া সবকটি উপকরণ একটা বাটিতে নিয়ে ভালো করে মেখে ফেলুন।
ধাপ ৩
মাখা হয়ে গেলে মিশ্রনটি একটা জারে ঢেলে রেখে দিন।
ধাপ ৪
মিশ্রনটি জারে ঢালার পর পরিমাণ মতো অ্যাপেল সিডার ভিনিগার দিয়ে জারের মুখটা বন্ধ করে দিন। তবে মুখটা বন্ধ করার আগে জারটা একবার ভাল করে নাড়িয়ে নেবেন কিন্তু!
ধাপ ৫
এবার জারটা ঠান্ডা জায়গায় কম করে ১৪ দিন রেখে দিতে হবে। তবে প্রতিদিন একবার করে জারটা ভাল করে নাড়াবেন। এমনটা করলে মিশ্রনটি আরও ভাল অবস্থায় থাকবে।
ধাপ ৬
২ সপ্তাহের পর জারে যে তরল জমা হবে সেটা সংগ্রহ করে আলাদা করে একটা বোতলে রেখে দিন।
যে বিষয়গুলির দিকে খেয়াল রাখবেন
খাবার পর সব সময় এই ওষুধটি খাবেন কিন্তু! ওষুধ খাওয়ার পর জ্বাল করতে পারে। তাতে ভয় পেয়ে যাবেন না। যদি দেখেন খুব জ্বালা করছে তাহলে অল্প করে লেবুর রস বা কমলা লেবুর জুস খেয়ে নেবেন।
প্রসঙ্গত, আপনি এই ওষুধটি মুখে নিয়ে গার্গেলও করতে পারেন। এমনটা দিনে দু-তিনবার করলেও একই ফল পাবেন। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল যে গর্ভবতী মহিলা এবং বাচ্চারাও এই ঘরোয়া অ্যান্টিবায়োটিকটি খেতে পারেন।


মন্তব্য