kalerkantho


বারান্দায় মাংসাশী গাছ, মুক্তি দেবে মশা আর পতঙ্গ থেকে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ মার্চ, ২০১৭ ২০:০৯



বারান্দায় মাংসাশী গাছ, মুক্তি দেবে মশা আর পতঙ্গ থেকে

বারান্দায় ক্যাকটাস বা অন্য কোনো গাছ রাখা বাগানবিলাসীদের কাজ। উদ্ভিদ বা ফুল তাদের দারুণ পছন্দের। কিন্তু বারান্দায় বাগান করার ক্ষেত্রে যতি অদ্ভুত গাছ বেছে নিতে চান তো মাংসাশী গাছের জগতে আপনাকে স্বাগতম। এদের সম্পর্কে সেই স্কুলেই পড়েছেন আপনি। উদ্ভিদগুলো কীটপতঙ্গ ভক্ষণ করে। বর্তমানে অনেক নার্সারি এসব গাছ রাখে বিক্রির জন্য। এর কিন্তু একটা বাড়তি উপকারিতা রয়েছে।

যারা এই গাছগুলো বারান্দায় রাখতে শুরু করেছেন উপকারটা তারাই পাচ্ছেন। বারান্দা বা বাসায় আর মশার উপদ্রব নেই। গাছগুলো সব মশা খেয়ে ফেলছে। দারুণ মজার কাণ্ড।

মশা বা পতঙ্গ মারতে অন্য কোনো ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে না।

ভারতের নার্সারিগুলোতে খুব বেশি মাংসাশী উদ্ভিদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। চাহিদা বাড়ছে হু হু করে। হরদম বিক্রি করছেন শান লাওয়ানি। বললেন, কয়েক বছর ধরে এসব উদ্ভিদ রাখি আমি। শখের বাগান যারা করছেন তারা সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এসব গাছ নিচ্ছেন। কিন্তু এতে বাড়তি উপকার মিলছে। কীটপতঙ্গ আর মশার উপদ্রব থেকে গাছগুলো রক্ষা করছে মানুষকে। এগুলো দেখতেও দারুণ! ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ, পিটচার প্ল্যান্ট এবং ডাচম্যান্স পাইপ দৃষ্টিনন্দন উদ্ভিদ। এসব গাছ কিন্তু কীটপতঙ্গ ও মশাকে আকর্ষণ করে। আর ধরে ধরে খেয়ে ফেলে। ফলে বাড়িতে কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। পরিবেশ দূষণ রোধ হয়।

এসব মাংসাশী উদ্ভিদের দেখাশোনা খুব সহজ। এগুলো বেশ শক্তপোক্ত গাছ। তাদের শুধু পর্যাপ্ত পানি আর আলো দরকার। আর মশা বা পতঙ্গ খেয়েই তারা টিকে থাকবে।

যেমন বাটারওর্ট। এরা আর্দ্রতাপূর্ণ পরিবেশ পছন্দ করে। হালকা ছায়াতে বাঁচে। আছি পিটচার প্ল্যান্ট। নিয়মিত পানি দিতে হয়। কড়া রোদ থেকে বাইরে রাখতে হয়। এ ছাড়া ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপের শুধু সামান্য পানি দরকার প্রতিদিন। সারাসেনিয়ার দরকার একটু আর্দ্রতা। উপকূলীয় অঞ্চলে দেখা যায়। আর ডাচম্যান্স পাইপের সামান্য যত্ন দরকার। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

 


মন্তব্য