kalerkantho


নাকডাকা কিংবা অনিদ্রার সমস্যা থাকলে যা করবেন...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ মার্চ, ২০১৭ ১১:০২



নাকডাকা কিংবা অনিদ্রার সমস্যা থাকলে যা করবেন...

আধুনিক জীবনযাপন অনেক কিছুই কেড়ে নিয়েছে। বাড়িতে স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি কিংবা বাড়তি শক্তি (ক্যালরি) ঝরানোর ফুসরত আমাদের নেই।

প্রযুক্তির সঙ্গে বসবাসের ফলে রাতের স্বাস্থ্যকর ঘুমও এখন প্রায় ‘বিলুপ্ত’। এ অবস্থায় অসংখ্য মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চাই পর্যাপ্ত ঘুম। এই ঘুম না হওয়ার কারণে ইনসমনিয়া, নাকডাকা, দুঃস্বপ্ন এবং এসিড রিফ্লাক্সের মতো পেরেশানি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে।
দুঃস্বপ্ন দূর করতে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার
প্রোটিন, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্যপূর্ণ খাবার রক্তে চিনির পরিমাণ পরিমিত পর্যায়ে রাখে। ফলে ঘুমের সময় চিনির পরিমাণের উত্থান-পতন আপনার শক্তি ও মেজাজকে অস্থিতিশীল করতে দেয় না। রাতে এলোমেলো দুঃস্বপ্ন দেখা বা ঘুমের মধ্যে কেঁদে ওঠার জন্য দায়ী রক্তে গ্লুকোজের উল্টাপাল্টা আচরণ।
দ্রুত ঘুমাতে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটের মিশেল
দুধ বা মুরগির মাংস যখন প্রোটিনের উৎস হয়, তখন এতে প্রচুর ট্রিপটোফান নামের অ্যামিনো এসিড মেলে। এই ট্রিপটোফান অনেকটা সেরোটোনিনের মতো। এটি এক ধরনের হরমোন, যা মস্তিষ্ক নিঃসৃত হলে স্বস্তি মেলে। উচ্চমাত্রার ট্রিপটোফানসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে কার্বোহাইড্রেটপূর্ণ খাবারের মিশেলে দেহে আরামবোধ হয়। কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের পর রক্তের গ্লুকোজ ট্রিপটোফানকে প্রভাবিত করে ঘুম এনে দেয়। কাজেই এই খাদ্য উপাদানের মাধ্যমে আপনি দ্রুত ঘুমিয়ে পড়বেন।
পানিতে মুক্তি নাকডাকা থেকে
অসংখ্য মানুষের বড় এক সমস্যা বিছানায় নাকডাকা। অনেক ক্ষেত্রেই ডিহাইড্রেশন এর জন্য দায়ী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাই দেহে পানির অভাব থাকতে দেওয়া চলবে না। যথেষ্ট পানি খেয়েই ঘুমাতে যেতে হবে।
---হাফিংটন পোস্ট অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য