kalerkantho


লবণ খাওয়া কমালেই কমবে স্বাস্থ্যব্যয়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১২:১২



লবণ খাওয়া কমালেই কমবে স্বাস্থ্যব্যয়

লবণ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, এ কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু তার পরও মুখরোচক খাবারের জন্য এ উপাদানটি গ্রহণ করতে চান সবাই।

তবে সম্প্রতি গবেষকরা এক আশার বাণী শুনিয়েছেন, যা তাদের স্বাস্থ্যগত ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

লবণ বহু রোগের জন্য দায়ী। আর এ রোগগুলো থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন লবণ খাওয়া কমানো। লবণ খাওয়া কমলে শুধু লবণের দাম সাশ্রয় হবে, তা নয়। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে আরও বহু স্বাস্থ্যগত খরচ, যা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।

গবেষকরা বলছেন, লবণ খাওয়া কমানো সম্ভব হলে উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ ও এ ধরনের বেশ কিছু রোগের প্রকোপ অনেকাংশে কমবে। আর এতে স্বাস্থ্যগত খরচও কমে যাবে।

এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

এ গবেষণাপত্রটির সিনিয়র লেখক ড. ডারিউশ মোজাফ্ফরিয়ান। তিনি বোস্টনের টাফটস ফ্রায়েডম্যান স্কুল অব নিউট্রিশন সায়েন্স অ্যান্ড পলিসির ডিন।

ড. ডারিউশ মোজাফ্ফরিয়ান বলেন, 'আমরা জানি খাবারে অতিরিক্ত লবণ ব্যবহারের কারণে হৃদরোগে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। '

বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রতিবছর নানা ধরনের হৃদরোগের কারণে বহু মানুষ শুধু অসুস্থই হন না, নানা ধরনের রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আর এ রোগের অন্যতম কারণ হলো লবণ। এখন যদি লবণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় তাহলে স্বাস্থ্য খাতে অতিরিক্ত এ ব্যয় সাশ্রয় করা সম্ভব।

তবে বিভিন্ন রোগের পেছনে দায়ী লবণের এ সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণ করা সহজ নয়। কারণ এটি শুধু আমাদের টেবিলে রাখা লবণ থেকেই নয় আরও বহুভাবে আমাদের খাবারে চলে আসে। এর মধ্যে রয়েছে বাজার থেকে কেনা নানা ধরনের প্যাকেটজাত খাবার। এমনকি আমাদের খাবারের অন্যতম রুটি, দুধ, ডিম, মাংস, পপকর্ন, সয়া সস, চিপস ও অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবারেও এ লবণ পাওয়া যায়।

এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লবণ নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি কঠোর নীতিমালা তৈরি করা উচিত। এর মাধ্যমে কোন খাবারে কতখানি লবণ দেওয়া যাবে তা নির্দেশ করা সম্ভব হলে মানুষের খাবারে বাড়তি লবণ প্রবেশ রোধ করা যাবে। এতে বহু মানুষের হৃদরোগজনিত স্বাস্থ্যগত ব্যয়ও কমে যাবে।


মন্তব্য