kalerkantho


বুড়োকালে গভীর হয় প্রেমের জোশ!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৬:৪০



বুড়োকালে গভীর হয় প্রেমের জোশ!

প্রতীকি ছবি

নয়া এক রিসার্চে এমনই দাবি করা হয়েছে। গবেষকদের দাবি, বুড়ো হওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানান রোগশোকে আক্রান্ত হয় মানুষ- এটা সত্য। কিন্তু এরই সঙ্গে তাদের মনে বাড়তে থাকে সঙ্গী-সঙ্গীনির সান্নিধ্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।  

এমনকি ৮০-৯০ বছর বয়সী মানুষের মাঝেও এই কামনা জাগরুক এবং তীব্রতর হতে থাকে।  

ওই গবেষণায় ৭০০০-এর বেশি লোকজনের মতামত নেওয়া হয়েছে যাদের বয়স ৫০ বছরের ওপরে।

যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক দীর্ঘায়ূ কেন্দ্র পরিচালিত গবেষণার ফলে বলা হয়- বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ভালোবাসা তার রূপ পরিবর্তন করে। বৃদ্ধবয়সে মানুষ তার জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সবেচেয়ে বেশি সময় কাটাতে চায়।

ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার ও ম্যানচেস্টার মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই সিদ্ধোন্তে পৌঁছেছেন যে- বৃদ্ধাবস্থায় দাম্পত্য বা বন্ধুত্বের সম্পর্কের অর্থ নয়া রূপ পায়। এ কারণে দুজন লোকের মধ্যকার ভালোবাসা তখন বেশ গভীরতা লাভ করে।  
এ গবেষণার নাম দেওয়া হয়েছে, ‘হাউ লং উইল আই লাভ ইউ’ অর্থাৎ কতকাল তোমায় ভালবাসবো!

গবেষক দলের প্রধান ডেভিড লি বলেন, ইতিবাচক ভাবনা আর ভালোবাসাময় জীবন মানুষকে বৃদ্ধাবস্থায় এক অন্য আনন্দ-অনুভবের জীবন দেয়। অধিকাংশ সিনিয়র সিটিজেন এমন সময়টায় নিজের ভালোবাসাকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন।

সারাজীবনে যা পারেননি, তা তারা এসময়ে পারেন, অর্থাৎ সঙ্গী-সঙ্গীনিকে আরও একটু বেশি করে কাছে পাওয়া, আরও একটু আদর করা, কয়েকটি চুমু বেশি দেওয়া।  

অবশ্য গবেষক দলের কাছে কেউ কেউ এমনও বলেছেন যে ৫০-এর কোঠা পেরোনোর পর তারা সঙ্গী-সঙ্গীনির সঙ্গে পেয়ার-মোহাব্বত বা ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছেন। তবে এর কারণটিও জানা গেছে। এটি হচ্ছে, বাড়ি-ঘরে সন্তান-সন্ততির উপস্থিতি। অর্থাৎ নিজ সন্তানদের নজরে থেকে ভালোবাসাবাসি করতে মুরব্বিজনদের একটু বাধো বাধো ঠেকেই তো! এনবিটি


মন্তব্য