kalerkantho


মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে ফের ঘুমাতে যা করতে হবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৩:১৪



মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে ফের ঘুমাতে যা করতে হবে

আমাদের প্রায় সকলের জীবনেই প্রায়শ এমন ঘটনা ঘটে। আপনি হয়তো মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় জেগে উঠলেন।

এরপর আর শত চেষ্টা করেও বিছানায় ফিরে যেতে পারছেন না।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঘুম আসার জন্য লড়াই করার চেয়ে বরং এই ধরনের নিদ্রাহীনতাই বেশি দেখা যায়। আপনারও যদি এই সমস্যা থেকে থাকে তাহলে আসুন তা থেকে মুক্তির উপায়গুলো জেনে নিন।
আপনার বেলায়ও যদি এমনটা ঘটে তাহলে সবচেয়ে ভালো হবে কিছুই না করলে।
যদি মাত্র এক রাত এমনটা ঘটে তাহলে আপনার উচিৎ হবে পরের রাতে একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া। স্বাভাবিক রুটিন ভঙ্গ করে ঘুমের ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা শুধু আপনার ঘুম আরো বেশি নষ্ট করবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভ্যানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পেরিলম্যান স্কুল অফ মেডিসিনের বিহেভিওরাল স্লিপ মেডিসিন প্রোগ্রামের পরিচালক মাইকেল পেরিলস বলেন:
রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে দিনে ঘুমাবেন না। পরের দিন নির্দিষ্ট সময়ের আগে ঘুমাতে যাবেন না। দেখবেন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
তিনি এমনকি এও বলেন দিনের বেলায় ঘুমিয়ে পড়া এড়াতে প্রয়োজনে ক্যাফেইন খান।
কিন্তু নিয়মিতভাবে রাত তিনটায় ঘুম ভেঙ্গে গেলে তা মোকাবিলায় আরো কিছু পরামর্শ দিয়েছেন তিনি:
আলো এড়িয়ে চলুন
একবার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পর পুণরায় বিছানায় ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো তীব্র আলো। কারণ তীব্র আলো মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। টয়লেটে যাওয়ার দরকার হলে বড় কোনো বাতি না জেলে বরং রাত-বাতি ব্যবহার করুন।
ঘুম ভাঙ্গার পর শুয়ে থাকবেন না
আপনি যদি পুরোপুরি জেগে ওঠেন তাহলে বিছানায় শুয়ে না থেকে বরং উঠে পড়ুন এবং এমন কিছু একটা করুন যা আপনার মস্তিষ্ককে উত্তেজিত না করে বরং শান্ত করবে। তবে কম্পিউটার এবং মোবাইল ফোন এড়িয়ে চলুন।
যদি টিভি দেখা শুরু করেন তাহলে সানগ্লাস পরে নিন
হ্যাঁ, সত্যিই। এমন অবস্থায় সাধারণত যে কোনো ধরনের স্ক্রিন এড়িয়ে চলা উচিৎ। কিন্তু আপনি যদি একান্তই টিভি দেখতে চান তাহলে অবশ্যই একটি সানগ্লাস পরে নিন।
কিছু খাবেন না
এ ব্যাপারে প্রচুর প্রমাণ রয়েছে যে, শেষ রাতে খাবার খেলে ওজন বাড়ে। আপনার শরীরও এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে। ফলে প্রতিরাতেই ওই সময় খাবার গ্রহণের জন্য আপনার দেহও ঘুম থেকে জেগে উঠতে চাইবে।
ঘড়ির দিকে তাকাবেন না
শেষরাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে ঘড়ির দিকে তাকাবেন না। কারণ এর ফলে আর কয়েক ঘন্টা পরই ঘুম থেকে জেগে উঠতে এবং বিছানা ছাড়তে হবে এই চিন্তায় আপনার মানসিক চাপ আরো বেড়ে যাবে। আর মানসিক চাপ বেড়ে গেলে ফের ঘুমানোটা আরো কঠিন হয়ে পড়বে।
সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট


মন্তব্য