kalerkantho


ঠাণ্ডা-সর্দির আক্রমণ ঠেকাতে...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:০৩



ঠাণ্ডা-সর্দির আক্রমণ ঠেকাতে...

ফ্লু থেকে বাঁচতে সব সময় সাবধান আপনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিকই আক্রান্ত হয়ে গেলেন। ভাইরাল আক্রমণ ঠেকানো গেলো না। আসলে এই সাধারণ ঠাণ্ডা-সর্দি আটকানো যায় না। একে তাড়াতে অপেক্ষায় থাকতে হবে। তবে সহজে ভাইরাল না হতে কয়েকটি পদ্ধতি চেষ্টা করতে পারেন।

১. প্রোটিন : এসব বাজে ভাইরাস হটাতে প্রোটিন দারুণ শক্তিশালী প্রতিরোধী ব্যবস্থা। ভেতরটাকে ক্ষমতাশালী করতে প্রোটিন খেতে হবে বেশি বেশি। ফ্যাটবিহীন প্রোটিন, যেমন- ডিমের সাদা অংশ, মুরগি বা টার্কির মতো সাদা মাংস, ডাল বা কুইনোয়া ইত্যাদি গ্রহণ করতে হবে। দেহের ওজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রোটিন গ্রহণ করতে হয়। যেমন- ৬৮ কেজি ওজনের দেহ যার, তার প্রতিদিন ৬৮-৭০ গ্রাম প্রোটিন খেতে হবে।

২. ভিটামিন সি : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এই ভিটামিন। এটি দেহের বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সহায়তা করে।

৩. ভিটামিন বি১২ : রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা সুষম করতে ভিটামিন বি১২ দারুণ কাজের। দুগ্ধজাত ও ডিমের মতো প্রাণীজ খাবারে বি১২ পাওয়া যায়। এ ছাড়া সাপ্লিমেন্ট হিসাবেও খাওয়া যায়।

৪. জিঙ্ক : এটা রোগ আটকাতে বেশ কাজ করে। পোল্ট্রি, বাদাম, শস্যদানা, শীম জাতীয় খাবার এবং দুগ্ধজাত খাবার থেকে জিঙ্ক মেলে।

৫. প্রোবায়োটিক : দইয়ে রয়েছে প্রোবায়োটিক। এটি মনে সুখকর অনুভূতি দেয়। আর রোগ তাড়াতেও কাজ করে। দই ছাড়াও প্যাকেটজাত পনির থেকে প্রোবায়োটিক পাওয়া যায়।

৬. মাল্টিভিটামিন : যদি এত সব পুষ্টি উপাদান আলাদাভাবে বের করে খেতে ঝামেলা মনে হয়, তবে মাল্টিভিটামিন গ্রহণ করতে পারেন। তবে এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। সাপ্লিমেন্ট অতিমাত্রায় খাওয়া ক্ষতিকর।
ইন্ডিয়া টাইমস অবলম্বনে

 


মন্তব্য