kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আসলে যা চান স্বামীরা...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:১৮



আসলে যা চান স্বামীরা...

পুরুষ ঠিক যা চান বা যা তাদের প্রয়োজন, ঠিক তাই মুখে পরিষ্কার করে বলেন না। তাদের চাহিদা বোঝা অনেকটা নাকি পিরাপিডে লেখা প্রাচীন ভাষার অর্থ উদ্ধার করার মতোই।

দাম্পত্য জীবনটাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে অনেক কিছুই করেন স্ত্রীরা। ইতিমধ্যে স্বামীর অনেক কিছুই বুঝে ফেলেছেন। এখানে আরো কিছু জেনে নিন বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে। এতে সম্পর্ক আরো গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

১. আপনি হয়ত বিশ্বাস করেন যে আদিমাতাকে সৃষ্টি করা হয়েছিল কারণ আদিপিতার তাকে প্রয়োজন ছিল। কিংবা বিগ ব্যাং থিওরির মাধ্যমে গোটা মানবসভ্যতার সৃষ্টি হয়েছে। যাই বিশ্বাস করেন না কেন, মনে রাখবেন, পুরুষ তার সঙ্গিনীকে পেয়ে নিজেকে অনুপ্রাণিত ও চ্যালেঞ্জ করতে পেরেছে আরো ভালো কিছু পাওয়ার জন্য। এ বিষয়টি নিয়ে তর্কের কোনো সুযোগ নেই।

২. নারীরা অনেক আবেগপ্রবণ প্রাণী হতে পারে। কিন্তু পুরুষরা অনেক ভঙ্গুর। তারা প্রকৃতিগতভাবেই রক্ষক। আদিকাল থেকেই তারা সাহসী হতে শিখেছে। আপনাকে নিয়ে চলার গোটা পথ ধসে পড়লেও তারা আপনাকে আঘাত পেতে
দেবে না বলে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ থাকতে পারে। স্বামীর অহংবোধকে ভঙ্গুর কিছু বলেই ধরে নিতে পারেন। একে ভাঙার চেষ্টা করবেন না। এমনিতেই ভেঙে পড়বে। বরং তার যত্ন নিন।

৩. তিনটি কারণে স্বামীকে নিয়ে দম্ভোক্তি করতে পারেন। এতে তিনি স্ত্রীর জন্য আরো বেশি কিছু করতে প্রস্তুত থাকবেন। স্বামী যা করে যাচ্ছেন এবং নিজের সেরাটা দিচ্ছেন, তার পরিচয় তুলে ধরুন। এতে তিনি আরো একধাপ এগিয়ে যেতে পারবেন।

৪. যখন কোনো পুরুষ কোনো নারীর ওপর বিশ্বাস আনে, তখন 'হোয়েন এ ম্যান লাভস এ ওম্যান' গানের কথাগুলো তাদের প্রতি নিবেদন করা যায়। আপনার প্রতি বিশ্বাস যেন থাকে সে বিষয়ে সচেতন থাকুন। তাকে এমন ভালোবাসা দিন যেন তিনি গোটা জীবন আপনাকে ভালোবাসা দিয়ে যান।

৫. পুরুষরা প্রতি সাত সেকেন্ডে একবার সেক্সের কথা ভাবে- এ বিষয়টি সঠিক কিনা তা গবেষণা ও বিতর্কের বিষয়। তবে সঙ্গিনীর সংস্পর্শেই সে বিষয়টি অহরহ ভাবতেই পারে। যদি কোনো নারী এমন স্বামী দেখতে চান যে তিনি অনেক সুখী এবং যেকোনো কাজে স্ত্রীর জন্য এগিয়ে আসেন, তবে তার যৌনজীবনটা তৃপ্তিকর করে দিতে হবে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

 


মন্তব্য