kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অফিস রাজনীতিতে জয়ী হতে রইল পাঁচটি টিপস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:০৩



অফিস রাজনীতিতে জয়ী হতে রইল পাঁচটি টিপস

ক্ষমতা, অবস্থান, অর্থ বা শুধু লোভের কারণেই হোক অফিস রাজনীতি যে কোনো রূপে আপনার ওপর ভর করতে পারে। এবং আপনার জীবনকে বিষিয়ে তুলতে পারে যদি না ঠিক মতো এর মোকাবেলা করতে পারেন।


প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই অফিস রাজনীতি আছে। আর কেউই এর পঙ্কিল ও বিষাক্ত নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই পান না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনি এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবেন না বা রুখে দাঁড়াতে পারবেন না। খুব শান্তভাবে এবং কুটনৈতিক উপায়ে অফিস রাজনীতির মোকাবেলা করতে হয়। এখানে রইলো এ সম্পর্কিত পাঁচটি পরামর্শ। এগুলো মেনে চললে আপনি অফিস রাজনীতির মোকাবেলা করার পাশাপাশি সকলের প্রিয়ভাজনও থাকতে পারবেন।

১. স্বীকৃতি: কোনো যুদ্ধে অর্ধেক জয় অর্জিত হয় সেটিকে মেনে নেওয়া এবং স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে। আপনাকে যদি অফিস রাজনীতিতে জড়িয়ে ফেলা হয় তাহলে প্রথমেই তা মেনে নিন এবং বিষয়টির বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দিন। এরপর বিশ্লেষণ শুরু করুন এর জন্য কারা দায়ী এবং কীভাবে তাদের মোকাবেলা করতে হবে। আর সতর্ক থাকুন যে, বিষয়টি মেনে নেওয়ার পরও আপনার এর মুখোমুখি হওয়ার বা এর বিরুদ্ধে লড়াই করার অথবা এ থেকে সোজা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগও খোলা থাকবে।

২. পক্ষ নেবেন না: আমরা আসলে তখনই সমস্যায় পড়তে শুরু করি যখন আমরা অফিস রাজনীতিতে পক্ষাবলম্বন করি। নিজস্ব মতামত থাকা ভালো। কিন্তু কখনোই কোনো পরিস্থিতিতেই পক্ষাবলম্বন করবেন না। কারণ এতে সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। আপনি যখন এমন কোনো পরিস্থিতিতে পড়বেন তখন পক্ষাবলম্বন না করে বরং প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লক্ষ্য-উদ্দেশ্যগুলোর দিকে মনোযোগ দিন। দুটি পক্ষকে একই যোগাযোগ মঞ্চে দাঁড় করিয়ে দিন এবং সকল পক্ষের মধ্যে খোলামেলা যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করুন। যাতে পরে কোনো পক্ষই কোনো কথা অস্বীকার না করতে পারেন।

৩. কোনোকিছু ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না: এমন সময়ও আসতে পারে যখন কোনো সহকর্মী আপনার আপনার সুখ কেড়ে নেবে। আর আপনিও হয়তো তাদেরকে নিজের মন থেকে একটি টুকরো দিতে চাইছেন। এমনটা করবেন না। এতে শুধু আপনার বসই আপনাকে বাজেভাবে দেখবেন তা নয়। বরং আরো অনেকেই আপনার সঙ্গে শত্রুতা শুরু করবেন। লোকে তাদের বিরুদ্ধে তোলা তর্ক এবং অপমান কখনো ভোলেন না। অথচ আপনি নিজে হয়তো এসব বিষয়কে তেমন কোনো গুরুত্ব নাও দিতে পারেন।

৪. কোনো রাগান্বিত মেইল নয়: ইমেইলে কোনো ম্যাসেজ পাঠানোর সময় অন্তত শতবার ভাবুন। রাগের মাথায় আপনি হয়তো ভাবতে পারেন আপনি ঠিক কাজটিই করছেন। কিন্তু আপনি কখনোই জানবেন না কখন এই একই মেইল আপনার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে- আপনাকে সকলের সামনে অপদস্থ করার জন্য বা সকলের সামনে বাজে লোক হিসেবে উপস্থাপনের জন্য। অনেকে আবার সামাজিক গণমাধ্যমেও এ ব্যাপারে পোস্ট দিতে পারেন। কিন্তু এ ব্যপারে খুবই সাবধান থাকুন।

৫. সত্যিকার দোষীকে খুঁজে বের করুন: প্রকৃতপক্ষে সমস্যাটি কে তৈরি করছে তা আগে খুঁজে বের করুন। এরপর সব সময়ই সে লোকটি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। আর তার সঙ্গে যদি শান্তি স্থাপন করতে পারেন তার চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া


মন্তব্য