kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


১০ বিষয় যা বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:৫২



১০ বিষয় যা বিবাহিত জীবনের ইতি ঘটায়

দাম্পত্য সম্পর্কে বিচ্ছেদের হার গ্লোবালি ৫০ শতাংশে ঠেকেছে। এগুলো ব্যর্থ বিয়ে বলে গণ্য করা হচ্ছে।

বিবাহিত জীবনে এমন অবস্থার কারণগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন বিশেষজ্ঞরা। আসলে এখানে দুজনের মধ্যে ভারসাম্য স্থাপন করতে হবে। জানতে হবে কোন বিষয়গুলো দাম্পত্য জীবনের হুমকি হয়ে ওঠে। এখানে জেনে নিন ১০টি পরামর্শ। এগুলো যেকোনো মানুষের সংসারটাকে নষ্ট করবে।

১. একে অপরকে প্রাধান্য না দেওয়া :  এ ঘটে যায়। সন্তান হওয়ার পর সেই বেশি গুরুত্ব পায়। তখন আর রাত জেগে রোমান্টিক আলাপের সময় থাকে না। নতুন নতুন মজা আর করতে ভালো লাগে না। কিন্তু দুজনের মাঝে কিছু বিষয় থেকেই যায়। গুরুত্বপূর্ণ না হলেও কিছু সময় পরস্পরের জন্য থাকা উচিত।

২. যোগাযোগের অভাব : বিবাদ হতেই পারে। আর এমনটা হলে একে অপরের সঙ্গে কথা বলা পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমন হোন যেন আপনার মনের কথা পড়তে পারেন সঙ্গী। এ সুযোগ দিলে তিনি ঠিকই আপনাকে বুঝতে পারবেন। ঝামেলার শুরুতেই ক্রোধ দেখাবেন না। তা ছাড়া ঝামেলা হলেও ন্যূনতম যোগাযোগ রাখুন। কোন বিষয়টা গলদ তা খুঁজে বের করা চেষ্টা করুন।

৩. গোপনীয়তা রাখা : বিয়ে বা সম্পর্ক বিষয়ে নানা গোপনীয়তা রাখা বিপদ ঘটাতে পারে। আবার অর্থব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত আলোচনা না করাটাও ভালো কাজ নয়। এতে ভবিষ্যত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সঙ্গীর সাথে আবেগগত সম্পর্ক গড়ে তুলুন। দৈহিক সম্পর্কেও ছেদ ঘটাতে নেই।

৪. স্পষ্ট দেওয়াল না থাকা : আপনাদের বিবাহিত জীবনে অনেকেই নাক গলাতে আসবেন। কিন্তু সব বিষয়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য বা যেকোনো মানুষের অবাধ সুযোগ থাকা উচিত নয়। এ বিষয়ে সবার সঙ্গে আপনাদের স্পষ্ট দেওয়াল থাকতে হবে।

৫. সেক্স না করা : যৌনতা দাম্পত্য সম্পর্কের অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খুব বেশি ব্যস্ততা বা মেজাজ-মর্জির কারণে যৌন সম্পর্ক ত্যাগ করলে বিপদ ঘটবেই। এ অবস্থায় সম্পর্ক নষ্ট হতে থাকে। তাই সেক্সটাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

৬. ক্ষমা না চাওয়া : নিজের ভুল বুঝতে হবে। আর ভুল উপলব্ধি করতে পারলে অবশ্যই ক্ষমা চাওয়া উচিত। তেমনি ক্ষমাশীল হতে হবে। এই চর্চা না থাকলে সম্পর্কে টেকে না।

৭. তুষ্টি প্রকাশ না করা : সঙ্গী-সঙ্গিনী যা করছেন তার জন্য তাকে অন্তত ধন্যবাদ জানানো বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিষয় না থাকলে সম্পর্ক অর্থহীন হয়ে যায়। একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। সম্পর্কে তৃপ্তি না থাকলে তাকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

৮. নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা : অনেকেই অপরের ওপর খুব বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চান। অপরজনের খুঁটিনাটি সব বিষয়ে নাক গলানো বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। আসলে কিছু ক্ষেত্রে সবারই পূর্ণ স্বাধীনতা দরকার।

৯. আসক্তি থাকা : দুজনের মধ্যে যেকোনো একজন বা উভয়ের নেতিবাচক বিষয়ে আসক্তি থাকতে পারে। মাদক, অ্যালকোহল বা পর্নে আসক্তি সম্পর্কে চিড় ধরায়। এর ক্ষতিকর দিক কেবল ওই ব্যক্তিকেই নয়, সম্পর্কটাকেও শেষ করে দিতে পারে।

১০. সহায়তা না চাওয়া : যখন বুঝছেন যে কিছু একটা গোলমেলে হয়ে যাচ্ছে, তখন সঙ্গীর সহায়তার দরকার। কিন্তু সাহায্য না চাওয়ার বিষয়টি মোটেও ভালো নয়। যদি সহায়তা চাইতে ভালো না লাগে, তবে তার কারণটা খুঁজে দেখুন। সম্পর্ক বিষয়ক জটিলতাটা কোথায়? একে বের করে তার ইতি ঘটানোর চেষ্টার করুন। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

 


মন্তব্য