kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বেতন নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের প্রধান সমস্যা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১২:৪১



বেতন নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের প্রধান সমস্যা

কর্মজীবীদের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি তাদের বেতন নিয়ে অসন্তুষ্টিতে ভোগেন। আর এই অসন্তুষ্টি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে একইভাবে চলে এসেছে।

নতুন এক জরিপে এমনটাই দেখা গেছে।

টাইমস জবের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ওয়াই প্রজন্মের অর্থাৎ যারা ১৯৮০ এবং ৯০ এর দশকের প্রথমদিকে জন্ম গ্রহণ করেছেন তাদের ৫৫ শতাংশ এবং জেন জেড অর্থাৎ যারা ১৯৯৫ বা ১৯৯৬ সালের পরে জন্মগ্রহণ করেছেন তাদের ৫৩ শতাংশই প্রথমবার বেতন তোলার সময় অসন্তুষ্ট ছিলেন।

"বেতন নিয়ে এই অসন্তুষ্টির পেছনে বেশকিছু উপাদান নিয়ামক শক্তি হিসেবে সক্রিয় থাকে। এর একটি হলো বেতন-ভাতা বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা সম্পর্কে যথাযথ মানদণ্ড বা সীমার অভাব," বলেছেন বিকাশ দীপ ভার্মা। তিনি টাইমস জবস এর প্রডাক্ট এবং মার্কেটিং বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।

তবে কেউ যখন চাকরি খোঁজেন তখন শুধু বেতনের বিষয়টিই তাদের কাছে মুখ্য থাকে না। এটি হয়তো একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ওয়াই প্রজন্মের ৪৫ শতাংশ এবং জেড প্রজন্মের ৫৮ শতাংশ তাদের প্রথম চাকরিতে ২ থেকে ৩ বছর কাটিয়ে দেন। এরপর তারা যখন সেই চাকরি ছেড়ে দেন তখন তারা মূলত নতুন এবং ভালো কোনো প্রস্তাবের প্রতি সাড়া দিয়ে তা করেন।

ভারতের ১ হাজার পেশাদার কর্মজীবীর সরবরাহ করা তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ওই গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় আরো দেখা গেছে, জেড প্রজন্মের তরুণরা ওয়াই প্রজন্মের তরুণদের তুলনায় একটু বেশি আগেভাগেই তাদের প্রথম চাকরির সন্ধানে নেমেছেন এবং চাকরি পেয়েছেনও।

ওয়াই প্রজন্মের ৪৬% তরুণ ৫-১০টি চাকরির জন্য আবেদন করে অবশেষে কর্মে নিযুক্ত হয়েছেন। আর জেড প্রজন্মের ৫২% তরুণ ১০-১৫টি চাকরিতে আবেদন করার পর একটি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন।

আরেকটি কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো জেড প্রজন্মের পেশাদাররা বাজারে নিজেদের চাহিদার ব্যাপারে অনেক বেশি সচেতন। তাদের ৫৮ শতাংশই কোনো চাকরির প্রস্তাব চুড়ান্তভাবে গ্রহণ করার আগে নিজেদের বেতন-ভাতা নিয়ে যথেষ্ট দরকষাকষি করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ওয়াই প্রজন্মের মাত্র ৪০% এমনটা করতে সক্ষম।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস


মন্তব্য