kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সবকিছু স্থবির হয়ে পড়ছে? গতিশীল হওয়ার ৫ উপায় জেনে নিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:২১



সবকিছু স্থবির হয়ে পড়ছে? গতিশীল হওয়ার ৫ উপায় জেনে নিন

আমরা প্রায় সবাই সেই অনুভূতির কথা জানি, যখন ঘুম থেকে ওঠার পর আর কোনো কিছুই করতে ইচ্ছে করে না। আর সেই পরিস্থিতিতে স্থবিরতা আপনাকে গ্রাস করতে পারেদ।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে কর্মক্ষেত্রে যেমন সমস্যা হয় তেমন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনেও নানা সমস্যা হতে পারে। এ লেখায় তুলে ধরা হলো সেই স্থবিরতা কাটিয়ে ওঠার কয়েকটি উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফোর্বস।

১. স্থবিরতার কারণ জেনে নিন
আপনার জীবন স্থবির হয়ে পড়ার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো কারণ রয়েছে। সঠিকভাবে সে কারণটি নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সমস্যাটি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে না পারলে তা সমাধান করাও সহজ নয়। আর তাই সমস্যার পেছনের কারণটি নির্ণয় করুন। আপনি কি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত? কী কারণে এ বিপর্যয়? এটি হতে পারে বড় কোনো বিষয় অথবা আপনার খাদ্যতালিকার সামান্য পরিবর্তনও হতে পারে এর কারণ। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কর্মক্ষেত্রে বাড়তি চাপ, পারিবারিক সমস্যা ইত্যাদি যেকোনো কারণে হতে পারে আপনার স্থবিরতা। আর সমস্যাটি পেয়ে গেলে সবার আগে আপনার সে সমস্যাটির সমাধান করার চেষ্টা করা উচিত।

২. ভালো করার নেশা
অনেকেই অত্যন্ত ভালো এবং নিখুঁত একটি নিবন্ধ লেখার চেষ্টা করতে গিয়ে কোনোদিনই সে লেখা শেষ করতে পারেন না। এর মূল কারণ হলো অতিরিক্ত নিখুঁত করার চেষ্টা থেকে স্থবিরতা আসতে পারে। তাই আপনার কখনোই নিখুঁত করার চেষ্টা থাকা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে আপনার মূলমন্ত্র হতে পারে মানসম্মত কাজ করা। একেবারে নিখুঁত কোনো বিষয় কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। মনে রাখতে হবে, মানুষ মাত্রই ভুল করে। আর আপনি যদি একাই সব ভুল বাদ দিতে চান তাহলে তা আপনাকে স্থবির করে দেবে।

৩. স্মার্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
আপনি যদি সঠিকভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে না পারেন তাহলে তা স্থবির করে দিতে পারে। এ কারণে স্মার্ট (SMART) হতে পারে একটি সঠিক সমাধান। এটি হলো লক্ষ্য নির্ধারণে নির্দিষ্ট পাঁচটি বিষয় মাথায় রাখুন। এগুলো হলো নির্দিষ্ট, মাপযোগ্য, আয়ত্বের মধ্যে, বাস্তবসম্মত ও নির্দিষ্ট সময়ের। এ পাঁচটি বিষয় মেনে চলতে পারলে তা আপনার লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে। ফলে আপনার কর্মজীবনের স্থবিরতা কেটে যাবে।

৪. নিজেকে স্বস্তি দিন
উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যাই বলুক না কেন, আপনি রোবট নন। আপনার কাজের ক্ষেত্রে নানা সুযোগ-সুবিধা মেনে চলতে হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার যদি কাজ একঘেয়ে হয়ে যায় কিংবা একনাগাড়ে কাজ করার পর মনঃসংযোগে সমস্যা হয় তাহলে নিজেকে কিছুটা বিনোদিত করুন। নিজেকে একটু অবসর দিন। আপনারও আবেগ-অনুভূতি রয়েছে, এ বিষয়টি মনে রাখুন।

৫. লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ
কাজের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য রাখা খুবই প্রয়োজনীয় বিষয়। সাগরে যেমন লক্ষ্য ছাড়া জাহাজ চলতে পারে না তেমন বাস্তব জীবনেও লক্ষ্য ছাড়া মানুষ এগোতে পারে না। কাজের অগ্রগতিও এ থেকে খুব একটা ভিন্ন নয়। আপনি যদি সেই লক্ষ্য নির্ধারণ করেন তাহলে কাজ অনেকদূর এগিয়ে যাবে। তাই সবার আগে লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং সেই লক্ষ্য অনুযায়ী এগিয়ে যান।


মন্তব্য