kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কালোজিরার ১০ গুণ জেনে রাখুন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০৯:৫৯



কালোজিরার ১০ গুণ জেনে রাখুন

১. একনি দূর করে
কালোজিরার তেল ত্বকে যেকোনো সমস্যা দূর করতে কাজ করে। এক কাপ লেবুর রসে আধাটেবিল চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে নিন।

এই তেল ত্বকে দিনে দুইবার ব্যবহার করুন। ত্বকের ফ্যাকাসে ভাব ও একনি দূর হয়ে যাবে।
২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
এ কথা সবাই মোটামুটি জানে। প্রতি সকালে এক কাপ ব্ল্যাক টির সঙ্গে আধাচামচ কালোজিরার তেল মেশান। এতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৩. স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও অ্যাজমায় উপকারী
এক চামচ মধুতে একটু কালোজিরা দিয়ে খেয়ে ফেলুন। এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। হালকা উষ্ণ পানিতে কালোজিরা মিলিয়ে ৪৫ দিনের মতো খেলে অ্যাজমার সমস্যার উন্নতি ঘটে।
৪. মাথাব্যথার মুক্তিতে
মাথাব্যথা অনেকের প্রতিদিনের পেরেশানি। কোনো ওষুধ না খেয়ে কিছু কালোজিরা নিয়ে কপালে ঘষতে থাকুন। মুক্তি মিলবে ব্যথা থেকে।
৫. ওজন কমাতে
যারা ওজন কমাতে চায় তাদের খাদ্য তালিকায় উষ্ণ পানি, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এখন এই মিশ্রণে কিছু কালোজিরা পাউডার ছিটিয়ে দিন। দারুণ উপকারী পানীয়।
৬. হাড়ের ব্যথা উপশমে
বহু পুরনো আমলের চিকিৎসা এটি। কিছু পরিমাণ কালোজিরা সরিষার  তেলে গরম করুন। আগুন থেকে সরিয়ে একটু ঠাণ্ডা করে নিন। এবার এই তেল হাড়ের যেসব সংযোগস্থলে ব্যথা সেখান দিয়ে মালিশ করুন।
৭. রক্তচাপ সামলাতে
যাঁরা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তাঁরা এক কাপ উষ্ণ পানিতে আধা চা চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে খান। এতে হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৮. কিডনির যত্নে
কিডনির পাথর অসংখ্য মানুষের সমস্যা। আধা চা চামচ কালোজিরা তেলের সঙ্গে নিন দুই চামচ মধু। একে এক কাপ উষ্ণ পানিতে মিশিয়ে পান করুন। কিডনির ব্যথা, পাথর ও সংক্রমণ দূর হবে।
৯. দাঁত শক্ত করতে
বহুকাল ধরে দাঁতের সুরক্ষায় কালোজিরার ব্যবহার হয়ে আসছে। দই ও কালোজিরার মিশ্রণ প্রতিদিন দুইবার দাঁতে ব্যবহার করুন। এতে দাঁতে শিরশিরে অনুভূতি ও রক্তপাত বন্ধ হবে।
১০. রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধিতে
কালোজিরার তেল ও মধু গরম পানিতে মিলিয়ে খাওয়ার উপকারিতা আগেই দেওয়া হয়েছে। এতে দেহের কিছু রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া ফুটন্ত পানিতে কালোজিরা ছেড়ে দিয়ে তা শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করলে নাসারন্ধ্রের সমস্যা চলে যায়।
সূত্র : এনডিটিভি।


মন্তব্য