kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বেশি ঘুমাবেন না!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৩৯



বেশি ঘুমাবেন না!

সঠিক ঘুম না হলে স্বাস্থ্য খারাপ হয়৷ কাজেও মন বসে না৷ চিকিত্সকদের মতে দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি৷ তবে কোনো কিছুই কিন্তু অত্যাধিক ভালো নয়৷ যাঁরা দিনে ১০-১২ ঘণ্টা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিচ্ছেন তারা মোটেই স্বাস্থ্যবান নন৷ দিনের অর্ধেকই তো মিস করে যাচ্ছেন! বেশি ঘুমানোর সাইড এফেক্ট জেনে নিন-

হার্টের সমস্যা
বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর সংখ্যা খুবই বেড়ে গেছে৷ যারা দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি ঘুমান তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ৩৪ শতাংশ বেড়ে যায়৷ তাই অত্যাধিক ঘুমালে আজ থেকে চেষ্টা করুন ঘুমের পরিমাণ কমানোর৷

ওবিসিটি
বর্তমানে এই সমস্যা ক্রমবর্ধমান৷ কম ঘুমালে যেমন এই সমস্যা দেখা দিতে পারে, ঠিক তেমনই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঘুমালেও এই সমস্যা হয়৷ বেশি ঘুমালে শরীরের কোনও মুভমেন্ট হয় না ফলে ক্যালোরি বার্ন হয় না যার ফলে অতিরিক্ত মেদ জমে৷ বেশি না ঘুমিয়ে এক্সারসাইজ করুন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন৷

ডায়াবিটিস
বেশি ঘুমালে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়৷ যার ফলে টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল৷ তাছাড়া ওবেসিটি ও ডায়াবেটিস হাত ধরাধরি করে চলতে পছন্দ করে৷ তাই সাবধান!

দুর্বল মস্তিষ্ক
খুব বেশি ঘুম আপনার চিন্তাশক্তি দুর্বল করে দেয়৷ ফলে কোনো কিছু মনে রাখতে না পারা, মাঝে মধ্যেই ভুলে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দেয়৷ সবচেয়ে বড় বিপত্তি হল কনসেনট্রেশনের অভাব দেখা দেয়, যার ফলে কলেজ হোক বা অফিস সব জায়গাতেই অসুবিধা হয়৷

আয়ু কমে
ভয়ানক হলেও সত্যি এটাই৷ অত্যধিক ঘুম আপনার আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে৷ রোগ না হলেও যারা বেশি ঘুমান তারা অন্যদের তুলনায় তাড়াতাড়ি মারা যান৷ মধুমেহ, হৃদরোগের মত সমস্যায় মারা যাওয়া খুবই স্বাভাবিক৷

ডিপ্রেশন
যাঁরা বেশি ঘুমান তাদের মুড সুইং খুব বেশি হয়৷ ডিপ্রেশনের পরিমাণও তাদের বেশি হয়৷ তাই বেশিও না কমও না, ঘুম সবসময় দিনে ৭-৮ ঘণ্টা।

সূত্র: এই সময়


মন্তব্য