kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিশ্বের শীর্ষ সফল ব্যক্তিদের ২৮ অভ্যাস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:১১



বিশ্বের শীর্ষ সফল ব্যক্তিদের ২৮ অভ্যাস

কখনও কি ভেবে দেখেছেন কীসে বিশ্বের শীর্ষ সফল ব্যক্তিদেরকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছে? এরা প্রায়ই ভোরবেলাতেই বিছানা ছাড়েন, সক্রিয়ভাবে নিজেরাই নিজেদের স্বাস্থ্যের দেখভাল করেন এবং মনোযোগসহকারে কোনো কিছুর অনুশীলন করেন। এরা গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সম্পর্কগুলোকে কখনোই অবহেলা করেন না।

প্রযুক্তির পেছনে খুব বেশি সময় ব্যয় করেন না।

এখানে বিশ্বের শীর্ষ সফল ব্যক্তিদের ২৮টি উক্তি তুলে ধরা হলে। উক্তিগুলোতে যেসব দৈনন্দিন অভ্যাস তাদের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে তা তুলে ধরা হয়েছে :
১. হাঁটুন
"গতি মানসিক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ফোনে কথা বলার সময় হাঁটুন, মিটিং করার সময় হাঁটুন, চিন্তা করার জন্য হাঁটুন। হাঁটার সময়ই কেউ সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকেন। "
- ক্রিস হেইল, কাউন্টেবল এর সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা।
২. রুটিন তৈরি করে কাজ করুন
"আমি প্রতিদিন ৫টা ১৫ মিনিটে ঘুম থেকে উঠি। এরপর মেডিটেশন ও প্রার্থনা করি এবং ২০টি জিনিস লিখি যেগুলোর জন্য আমি কৃতজ্ঞতা বোধ করি। ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত আমি ব্যায়াম করি। এরপর নাশতা করে কাজে যাই। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পুনরায় আমি একইভাবে ২০টি জিনিস লিখি। প্রতিদিন আমি এই রুটিন মেনে চলি। এতে জীবনের যেকোনো সমস্যাই আমি সহজে মোকাবিলা করতে পারি। "
- অ্যাশ শিলকিন, চিম্পচেঞ্জ এর প্রতিষ্ঠাতা সিইও
৩. নিজেক অস্বীকার করুন
"আমি প্রতিদিন নম্রতা ও সহানুভূতির চর্চা করি। আমার বাবা-মা ছিলেন খুবই স্নেহময়। তারা সীমিত ক্ষমতা সত্ত্বেও আমাকে অনেক সুযোগ-সুবিধা দিয়েই বড় করেছেন। কিন্তু পাশাপাশি তারা আমাকে পরার্থপরতা এবং লোকের ভিন্নতা উপলব্ধি করতেও শিখিয়েছেন। তাদের শিক্ষা আমাকে একজন বিদেশি সংবাদদাতা এবং এখন একজন নির্বাহী হিসেবে সাফল্য লাভে সহায়তা করেছে। এতে কারো সঙ্গে একমত না হলেও আমি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তা গণ্য করার মতো ধৈর্য ধারণের অধিকারী হয়েছি। আর লোকের ভিন্ন ধরনের আচরণ বুঝার জন্য অনুসন্ধানী মনের অধিকারী হওয়ার ফলে আমি লোককে অনেক সহজেই ম্যানেজও করতে পারি। "
- ক্যালভিন সিমস, সভাপতি এবং সিইও, ইন্টারন্যাশনাল হাউস
৪. ই-মেইল চেক করার আগে প্রতিদিন সকালে ব্যায়াম করুন
"পরিষ্কার ও ধরালো মাথা নিয়ে কাজ শুরু করার জন্য প্রতিদিন সকালে আমি ব্যায়াম করি। "
- জন জিগলার, সিইও, পার্কমোবাইল
৫. সবকিছু ক্যালেন্ডারে রাখুন
"আমার সব সবকিছু্ই হয় ডিজিটাল ক্যালেন্ডারে। কোনো কিছু ক্যালেন্ডার না থাকলে তার আর করা হয় না। "
- জ্যাকুই রসহ্যান্ডলার, উফমিন্টস এর স্রষ্টা
৬. কখনোই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না
"কোনো ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে অন্তত কয়েক ঘণ্টা বা একদিনের জন্য বিষয়টি মস্তিষ্কে প্রক্রিয়াজাত করুন। ওই সময়ের মধ্যে সমস্যাটির ৭০ শতাংশরই সমাধান হয়ে যাবে। এতে আপনার শক্তির অপচয় হবে না এবং মানসিক চাপ কমে আসবে। "
- ক্যাথেরিন এনরাইট, এক্সোকিউটিক্যালস এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট
৭. সমস্যাকে ব্যক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করুন
"কারো সঙ্গে কোনো সমস্যা নিয়ে কথা বললে সেটিকে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করুন। এতে শ্রোতাদের সঙ্গে আপনি একটি আবেগগত যোগাযোগ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। "
- লরা স্কট, ওয়েফেয়ার এর ভিপি
৮. কোথায় যেতে চান নিজেকে তা স্মরণ করিয়ে দিন
"ব্যক্তিগত এবং পেশাগত লক্ষ্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলাতেই পারে। কিন্তু মাঝেমধ্যেই একটু পেছন ফিরে তাকালে কতটুকু এগোলেন তার একটা পর্যালোচনা করা সম্ভব হবে। আর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিজেকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করে। "
- জিম রোবসন, সিইও, পিন পয়েন্ট
৯. স্বাস্থ্যকর পানীয় এবং ধ্যান দিয়ে দিন শুরু করুন
"প্রতিদিন সকালে আমি লেবুর রস মিশ্রিত বা তাজা হলুদ মিশ্রিত হালকা গরম পানি পান করি। এতে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এরপর ৩০ মিনিটের জন্য ধ্যান করে কাজে যাই। কাজে যাওয়ার আগে সবজি ও ফলমূল সমৃদ্ধ নাশতা করি। আমি বিশ্বাস করি সুস্থ ও শক্তিশালী দেহ ও মন তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এতে নিত্যদিনের যে কোনো নতুন সমস্যা মোকাবিলা করা আরো সহজ হয়। "
- লাভলিন সিধু, ব্যাঙ্কমোবাইল এর সহপ্রতিষ্ঠাতা
১০. প্রতিদিন অন্তত দুইবার ব্যায়াম করুন
"দিনের শুরতে এবং শেষে কঠোর শরীরচর্চা আমার মনকে সঠিক গড়নে রাখতে সহায়ক হয়। শুরুতে ৬০ মিনিট এবং শেষেও ৬০ মিনিট ব্যায়াম করলে কাজে আমার মনোযোগ ঠিক থাকে। "
- জান্দের ক্যাম্পোস, অ্যাঙ্গোলা ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট এর সিইও
১১. পরিবারের সঙ্গে আনন্দমূলক সময় কাটান
"আমার কিশোর বয়সী দুই ছেলের সঙ্গে সুযোগ পেলেই আমি পিংপং বা বাস্কেট বল খেলায় বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় মেতে উঠি। এতে কাজে ফিরে আসার পর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ এবং ইতিবাচক মানসিক গঠনকাঠামো ধরে রাখা যায়। "
- লিসা স্কিট ট্যাটাম, ল্যান্ডিট এর সহপ্রতিষ্ঠাতা
১২. সমর্থন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন
"কোনো কিছুই কখনো পরিকল্পনা মাফিক চলে না এবং পথ চলতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝাঁকুনি খেয়ে লোকে সন্দিহান হয়ে পড়ে। তবে আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমার পরিবার, স্ত্রী এবং চার সন্তান আমাকে যথেষ্ট সমর্থন, সাহস ও উৎসাহ যুগিয়েছে। "
- জন সুমরয়, সিইও এবং উদ্ভাবক, মাইফোল্ড
১৩. অগ্রিম পরিকল্পনা করে রাখুন
"প্রতিদিন কাজে যাওয়ার পথে আমি দুটি বা তিনটি শীর্ষ কাজ অথবা প্রয়োজনীয় যোগযোগ নিয়ে ভাবি। যেগুলো নিয়ে সেদিন বিশেষভাবে মনোযোগী হতে হবে। "
- ম্যাইঅ্যা হ্যাগ, আই সি মি এর সিইও
১৪. মহান মনোভাব নিয়ে ঘুম থেকে জাগুন
"বুঝতে শিখুন, আপনি যে মুহূর্তে ঘুম থেকে জেগে ওঠেন সে মুহূর্তের মনোভঙ্গিই আপনার পুরো দিনটি কেমন যাবে তার দিক নির্দেশক। আপনি হয়ত কোনো পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। কিন্তু নিজের মনোভাব নিয়ন্ত্রণের একমাত্র কর্তা আপনি নিজেই। সুতরাং প্রতিদিন ঘুম থেকে জাগার সময় সে দিনটি জয় করার মনোভঙ্গি নিয়েই আমি জাগি"।
- ব্রায়ান নুনার, প্রেসিডেন্ট এবং সিইও, টুইস্ট অ্যান্ড সিল।
১৫. নিজেকে সময় দিন
"প্রতিদিন আমি জিমে, হাঁটাহাঁটি করে, গান শুনে বা বই পড়ে ১ ঘণ্টা করে সময় কাটাই। নিজেকে এতগুলো ঘণ্টা সময় দেওয়ার ফলে আমি একজন ভালো স্ত্রী, ভালো সিইও এবং সুখী মানুষ হয়ে উঠি। "
- কেট হুইটিং, এডুসেন্টস এর সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও
১৬. বুনুন
"আমি প্রতিদিনই বোনার কাজ করি! বুননের কাজ ধ্যান করার মতোই ফল দেয়। এর পুনরাবৃত্তিমূলক কর্মপ্রক্রিয়ার গুনাগুন মেডিটেশন বা ধ্যানের মতোই আপনার হৃৎকম্পনের হার এবং রক্তে কর্টিসোলের মাত্রা কমিয়ে আনবে। আর বুনন শেষে ব্যবহার উপযোগী একটি পণ্যদ্রব্য পাওয়াটাও মানসিকভাবে অনেক তৃপ্তিদায়ক একটি বিষয়। "
- ক্রিস্টিনা ফ্যাগান, শাট দ্যাট আই নিট এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও
১৭. কার্যতালিকা রাখুন
"আমি আমার কম্পিউটারে সবসময় একটি কার্যতালিকা রাখি। এতে কোন কাজটি আগে করতে হবে তা নির্ধারণে আমার সুবিধা হয়। আর শেষ রাতে কোনো কিছু ভুলে যাওয়ার উদ্বেগ থেকেও রেহাই পাই। এ ছাড়া আমি অসম্পাদিত কাজের একটি তালিকাও রাখি। যেগুলো এখনো শেষ হওয়ার অপেক্ষায় ঝুলে রয়েছে"।
- সিনথিয়া ম্যাথিউস ভন বার্গ, ম্যাথিউস ১৮১২ হাউস এর প্রেসিডেন্ট
১৮. বড় কাজের পাশাপাশি ছোট কাজও করুন
"আপনি হয়তো আগামী ছয় মাস বা দুই বছরের মধ্যে আপনার ব্যবসাকে একটি বড় লক্ষ্য অর্জনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ছোটখাটো কোনো বিষয়কেও অগ্রাহ্য করবেন না। যা আপনার খদ্দেরদেরকে ইতিমধ্যে আরো অসাধারণ কোনো অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিতে পারে। আর এই ছোটখাটো কোনো জিনিসই হয়তো আপনার কাঙ্ক্ষিত বড় লক্ষ্যটি অর্জনে সহায়ক হয়ে উঠতে পারে। "
- মার্ক গোর্লিন, প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, রোডি, ইনকর্পোরেশন
১৯. কর্মীদের সঙ্গে হাঁটুন
"কর্মীদের সঙ্গে অফিসে বসে একে একে সাক্ষাৎ করার পরিবর্তে আমি বরং তাদেরকে নিয়ে একসঙ্গে হাঁটাহাঁটি করি। কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হাঁটাহাঁটির ফলে অফিসের গণ্ডির বাইরে একটু ভিন্ন আমেজ পাওয়া যায়। যা দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং সৃজনশীল চিন্তা উস্কে দিতে পারে। আর তা ছাড়া এতে মনখুলে কথা বলার মতো পরিবেশও সৃষ্টি হয়। "
- আসাফ রেসনিক, সিইও, বিগ পাণ্ডা
২০. সুন্দর কিছু নিয়ে ধ্যান করুন
"আমি খুবই সৌভাগ্যবান। কারণ আমার বাড়িটি চারদিকে অসাধারণ সুন্দর পাহাড়ি দৃশ্যে ঘেরা। প্রতিদিন আমি ওই সৌন্দর্য উপভোগের মধ্য দিয়ে নিজের দিনটি শুরু করি। এবং এর মধ্য দিয়ে আমি নতুন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি লাভ করি। এতে আমার দিনটি আরো সন্তুষ্টিজনক এবং উৎপাদনশীল হয়ে ওঠে। "
- কারম্যান কাসাদ, সিনিয়র পরিচালক, এআরসি ডকুমেন্ট সলিউশন
২১. কোনোকিছু আগাগোড়া ভাবার জন্য সময় উৎসর্গ করুন
"প্রতিদিনকার এতসব ফোন কল, ই-মেইল এবং মিটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকার মাঝে এমন কোনো ইস্যু হয়ত হাজির হতে পারে যা দেখে মনে হতে পারে এতে তাৎক্ষণিকভাবে মনোযোগ দেওয়া দরকার। কিন্তু এতে দীর্ঘমেয়াদে তেমন বড় কোনো ফল আসে না। ফলে আমি প্রতিদিনই এমন কোনো একটি ইস্যু বের করি যেটি আমি পুরোপুরি ভেবে দেখব। এবং এ জন্য অন্তত টানা এক ঘণ্টা সময় ব্যয় করব। "
- ড্যান স্যাট, সিওও, স্টকপাইল
২২. প্রতিদিনই কিছু ভালো জিনিসের প্রতি না বলুন
"আমি 'ভালো থেকে মহাভালো' দর্শনের অনুসরণে প্রতিদিন অন্তত তিনটি ভালো জিনিসের প্রতি 'না' বলি। যাতে আমি নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সময় ও সুযোগ পাই। জীবনটা কখনো কখনো বড় কোনো সুযোগ গ্রহণের বিষয় হয়ে ওঠে। কিন্তু আমি দেখতে পেলাম, ছোট ছোট ভালো জিনিস নিয়ে ব্যস্ত থেকে আমি বড় ধরনের ভালো কোনো সুযোগ হয়তো হাতছাড়া করে ফেলছি। ফলে আমি প্রতিদিন ছোটখাটো ভালো তিনটি জিনিসের প্রতি না বলি আরো বড় ভালো কোনো জিনিসের প্রত্যাশায়। "
- ড. মিখায়েল সোয়ান, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ
২৩. ক্রিয়াশীলতার জন্য সময় নির্ধারণ করুন
"সকলেই বলেন যে ব্যবসার মালিকরা সব সময়ই কাজ করেন। এটা আসলে সত্যিও বটে। কিন্তু এরপরও অনেক সময় আপনাকে মাঝেমধ্যে একটু বিরতি নিতে হবে। আমি সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্তই শুধু আমার ই-মেইল চেক করি। "
- ডানা রাই, এবিএলই কসমেটিকস এর প্রতিষ্ঠাতা
২৪. শুধু অফিসেই ই-মেইল চেক করুন
"অনেক নির্বাহীর মতো আমি নিজেও আমার আইফোনটি রাতেও সচল রাখতাম। এমনকি সকালে বিছানা ছাড়ার আগেও আমি ই-মেইল চেক করতাম। এতে আমি প্রায় সারাক্ষণই কাজের মুডে থাকতাম। যার ফলে আমি নিজের স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি কোনো মনোযোগ দিতে পারতাম না। কিন্তু চলতি বছরের শুরু থেকে আমি অফিসের ডেস্কে বসা ছাড়া ই-মেইল চেক করি না। এতে সকালে কাজের যাওয়ার জন্য তৈরি হওয়ার সময় আমার মনটি আগের চেয়ে অনেক বেশি ফুরফুরে থাকে। আর স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে ইতিবাচক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আমি আমার দিনটি শুরু করতে পারি। এতে আমার দিনগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি উৎপাদনশীলও হচ্ছে। "
২৫. স্বচ্ছ হওয়ার ব্যাপারে ভীত হবেন না
"অনেক বসই স্বচ্ছতাকে ভয় পান। কারণ তাদের ধারণা এতে হয়ত তাদেরকে কম কর্তৃত্বমূলক মনে হবে এবং তারা ক্ষমতা হারাবেন। কিন্তু বাস্তবে আসলে উল্টোটাই সত্য। লোকে আসলে কোনো ব্যবসার চ্যালেঞ্জ ও সুযোগসহ খুটিনাটি সবই জানতে চান এবং নিজেরাও সমস্যার সমাধানে অংশগ্রহণ করতে চান। "
- এডি গোইশিয়া, সিইও, টিল্টেড কিল্ট পাব অ্যান্ড ইটারি
২৬. মিটিংয়ে কম্পিউটার থেকে দূরে থাকুন
"কোনো বৈঠকের সময় এতে অংশগ্রহণকারীদেরকে কোনো বিষয় সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা দেওয়ার জন্য অবিভক্ত মনোযোগের দরকার হয়। এর একটি সহজ এবং কার্যকর উপায় হলো বৈঠকের সময় নিজের কম্পিউটারখানা দূরে সরিয়ে রাখা। মনোযোগ নষ্ট করার মতো উপাদান যত কম থাকবে ততই আমি কোনো ইস্যুর ওপর নিজের পুরো মনোযোগ ঢেলে দিতে পারব। এবং আরো বেশি ফলপ্রসু কথপোকথন করতে পারব। "
- ইয়ানিভ মাসজেদি, ভিপি, নেক্সটিভা
২৭. খেতে ভুলবেন না, প্রায়ই খাওয়া-দাওয়া করুন
"আমি প্রায়ই খেতে ভুলে যাই। যার ফলে মিটিং করতে গিয়ে মনোযোগ হারাই এবং সহজেই বিরক্ত হই। কিন্তু দিনের বেলায় কিছুক্ষণ পরপর হালকা জলখাবার খেলে আর এই সমস্যা হয় না। এতে আমার রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং নিজের শক্তি ও সক্ষমতা ব্যয় করে কোনো বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখা এবং সক্রিয় থাকা সহজ হয়। আর দুপুরের খাবার ডেস্কে বসে না খেয়ে বরং নির্দিষ্ট স্থানে বসে খাওয়াই ভালো। এতে বস হিসেবে অন্যরাও আমার সঙ্গে আরো সহজে কাছে ঘেঁষতে পারে। "
- হ্যারিস বার্নস্টেইন, ভিপি, ক্রিটেও
২৮. অবসর সময়টুকু আত্মউন্নয়নের কাজে ব্যয় করুন
অলস সময়ে আমি বিদেশি ভাষা শিখে, টেপ রেকর্ডারে বই পড়া বা চিকিৎসা প্রক্রিয়ার হালনাগাদ ও অগ্রগতি শুনি। গাড়িতে বা ট্রেনে অলস সময়টুকু বৃথা না কাটিয়ে বরং কিছু না কিছু শিখুন।
-ড. উইলিয়াম ডি. ইয়েটস, যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের শিকাগোর বোর্ড সনদপ্রাপ্ত চুল পুনঃস্থাপক
সূত্র : আইএনসি ডটকম


মন্তব্য