kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জিনের কারণে দেহের বাড়তি ওজনের অনুভূতি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:২২



জিনের কারণে দেহের বাড়তি ওজনের অনুভূতি

দেহের বাড়তি ওজন নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় থাকেন। এর সঠিক কোনো কারণ যদি খুঁজে না পান তাহলে জিনকেও দায়ী করতে পারেন।

কারণ জিনের কারণেও মানুষ মোটা হয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে পারে। আর এ জিনের সংকেত মূলত পূর্বপুরুষের কাছ থেকে মানুষের দেহে চলে আসে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে এনডিটিভি।

গবেষকরা জানিয়েছেন, কোনো ব্যক্তির মোটা হয়ে ওঠার অনুভূতির পেছনে শুধু তার ভূমিকাই নয়, প্রায়ই বংশগতির একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। অন্যভাবে বলতে গেলে পিতার শুক্রাণুর মাধ্যমেই এ তথ্য সন্তানের দেহে চলে আসে, যার পেছনে রয়েছে জিন। কারণ জিন বংশগতির এ বৈশিষ্ট্যটি বহন করে পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে নিয়ে আসে, যেখানে পিতামাতার দেহের ওজনের সঙ্গে মিল রেখে সন্তানের দেহের ওজন গড়ে ওঠে।

তবে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের দেহে এ ওজনের বিষয়টি জিনের মাধ্যমে বেশিমাত্রায় প্রভাবিত হয় বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো বোল্ডারের গবেষক রব্বি ওয়েডো বলেন, 'মানুষের দেহের ওজন বিষয়ে অনুভূতির সঙ্গে জিনের সম্পর্ক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এ গবেষণাই প্রথম। '

গবেষণায় দেখা যায়, শুকনো ও মোটা মানুষদের জিনের তথ্যের পাশাপাশি তাদের ওজনের বিষয়ে অনুভূতির তথ্যও পরবর্তী প্রজন্মের কাছে চলে যায়।

গবেষকরা বিষয়টি জানার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় তথ্যভাণ্ডার ব্যবহার করেন। এতে বিভিন্ন বয়সের ২০ হাজার ব্যক্তির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এরপর সে ব্যক্তিদের ইন্টারভিউও নেওয়া হয়। তাদের মাঝে ছিল কয়েক শ যমজ ভাই-বোনও।

অংশগ্রহণকারীদের বডিম্যাস ইনডেক্স (বিএমআই), ওজনের সঙ্গে দেহের উচ্চতার পার্থক্য ইত্যাদিও পরিমাপ করা হয়। এ ছাড়া প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী একটি ইন্টারভিউ নেওয়া হয় অংশগ্রহণকারীদের। তাতে তাদের দেহের ওজন বিষয়ে অনুভূতিও জানতে চাওয়া হয়। এতে তারা তাদের দেহের ওজনকে কয়েকটি ভাবে বিভক্ত করেন। এগুলো হলো খুব কম, সামান্য কম, সঠিক, কিছুটা বেশি ও খুব বেশি।

গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে সোসাল সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালে।


মন্তব্য