kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সঙ্গী-সঙ্গিনীর বিষয়ে খুব বেশি সন্দেহপ্রবণ আপনি?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:৩৬



সঙ্গী-সঙ্গিনীর বিষয়ে খুব বেশি সন্দেহপ্রবণ আপনি?

অনলাইনে সঙ্গী-সঙ্গিনীর কনভারসেশন দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকেন? সে কার বা কাদের সঙ্গে ঘুরতে গেল সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে অস্থির হয়ে থাকেন? প্রেমিক-প্রেমিকা কার সঙ্গে কথা বলে জানতে উদগ্রীব থাকেন? এসব প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁসূচক হয় তবে আপনি এমন এক মানুষ যিনি সম্পর্কে নিয়ন্ত্রক হতে চান। আসলে সঙ্গী-সঙ্গিনীর প্রতি বিশ্বাস ও নিরাপত্তার অভাবে এমন মানসিকতা তৈরি হয়।

আত্মবিশ্বাসের অভাব থেকে এমনটা মনে হয়। এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন কিছু মৌলিক ধারণা।

১.  নিয়ন্ত্রক : যুক্তিহীন হিংসা, অন্যদের সঙ্গে ক্রমাগত সম্পর্ক স্থাপন নিয়ে  দোষারোপ ইত্যাদি নিয়ে মানসিক যন্ত্রণায় থাকেন এসব মানুষ। মানুষের সামনে কি পোশাক পড়তে হবে বা কি আচরণ করতে হবে ইত্যাদি নিয়ে পেরেশানি দিতে থাকেন তারা। সব সময় সঙ্গী-সঙ্গিনীর মেসেজ দেখা বা কার সঙ্গে কি কথা বলছেন তা শুনতে চান। এ নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকেন তারা। খুঁটিনাটি জানতে চান।

২. তারুণ্যের মানসিকতা : অনেকে মনে করেন, সঙ্গী-সঙ্গিনীর এমন মানসিকতার অর্থ হলো তারা আসলে অনেক বেশি খেয়াল রাখতে চান। ভালোবাসা অনেক বেশি দেখেই এসব করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক জানান, আমার সাবেক প্রেমিকা সব সময় আমাকে সন্দেহ করতো। আমি ভাবতাম, ভালোবাসার তীব্রতার কারণেই এমন করে সে। কিন্তু বিষয়টি অতিমাত্রায় চলে গেল যখন যে ফোন করে জানতে চাইতো আমি তাদের সঙ্গ কথা বলি কি না। কয়েক দফা ঝগড়ার পর আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

৩. ভার্চুয়াল প্রভাব : রুপালি পর্দাতেও এ ধরনের বিষয় নিয়ে ছবি হচ্ছে। বলিউডে দস্তক বা ধাড়কান ছবিগুলো এ বিষয় নিয়েই করা হয়েছে। এমন সন্দেহপ্রবণ প্রেমিক-প্রেমিকাদের নিয়ে বহু সিরিজ হয়েছে। আধুনিক যুগে সোশাল মিডিয়া এবং মাইক্রো ব্লগিং সাইটগুলো তারুণ্যের জীবন নিয়ন্ত্রণ করছে। সেখানে এসব কারণেই তারা সাইবার হুমকির শিকার হচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞের কথা : আহমেদাবাদের কনসাল্টিং সাইকোলজিস্ট ড. প্রশান্ত ভিমানি জানান, সম্পর্ক বিষয়ক প্রতি ১০টি কেসের ৬টি হয় সন্দেহ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন টিনএজাররা। এর কারণ হতে পারে তারা গভীর সম্পর্কে জড়াতে পারেন না। এ সম্পর্কে আবেগ খুব বেশি কাজ করে। তারা সব সময় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেন। আর তা থেকেই সমস্যা শুরু। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

 


মন্তব্য