kalerkantho

রবিবার। ২২ জানুয়ারি ২০১৭ । ৯ মাঘ ১৪২৩। ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৮।


সহকর্মী কি সাইকোপ্যাথ? ৯ লক্ষণে বুঝে নিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ১৫:২৮



সহকর্মী কি সাইকোপ্যাথ? ৯ লক্ষণে বুঝে নিন

কর্মক্ষেত্রে আপনার সহকর্মীরা যদি সহায়তাপূর্ণ না হন তাহলে তা কর্মপরিবেশের জন্য মোটেই ভালো নয়। তবে কোনো সহকর্মীর বিরূপ আচরণের পেছনে থাকতে পারে মানসিক সমস্যা। এ লেখায় দেওয়া হলো ৯টি লক্ষণ, যা মিলে গেলে বুঝবেন সহকর্মী মানসিক রোগী। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. দুঃখবাদী আচরণ ও উদ্দেশ্য
সহকর্মী যদি ভালো কোনো বিষয়কেও ভালো অর্থে না দেখে এবং দুঃখবাদী আচরণ করে থাকে তাহলে সতর্ক হোন। এ ক্ষেত্রে তার আচরণ হতে পারে ভয় দ্বারা চালিত। এ ছাড়া আরেকটি বড় উদাহরণ হতে পারে ধ্বংসচেষ্টা। অর্থাৎ কোনো বিষয় ঠিক করার বদলে ধ্বংস করে ফেলার আগ্রহ থাকতে পারে এ ধরনের মানুষের মাঝে।
২. সাবলীলভাবে নিজেকে মেকি উপস্থাপনা
সাইকোপ্যাথরা নিজেকে সুস্থভাবে উপস্থাপনে যথেষ্ট পারদর্শী। স্বাভাবিক কথাবার্তায় তারা নিজের মানসিক সমস্যা গোপন করে নিজেকে সাবলীলভাবে উপস্থাপন করতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে তাদের গভীরতা কম হয়। অল্প আলোচনায় অনেকেরই ধারণা হয় যে ব্যক্তিটি যথেষ্ট ভালো ও ছিমছাম মানুষ।
৩. নিজেকে বড় হিসেবে কল্পনা করা
সাইকোপ্যাথরা প্রায়ই নিজেকে বড় কোনো ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করে। তারা প্রায়ই কল্পনার রাজ্যে বসবাস করে। এ কারণে তারা অনেকে নিজেকে বিশ্বের ক্ষমতার কেন্দ্রের ব্যক্তি হিসেবে কল্পনা করে।

৪. তারা প্যাথলজিক্যাল মিথ্যাবাদী
সাইকোপ্যাথরা প্যাথলজিক্যালি মিথ্যাবাদী হতে পারেন। তারা মূলত আবেগ নিয়ে মিথ্যা কথা বলেন। এ কারণে তাদের মিথ্যাকে সহজেই সত্য বলে ভ্রম হতে পারে।
৫. তারা পরাশ্রয়ী জীবনযাপন করেন
এ ধরনের ব্যক্তিরা মানসিকভাবে পরাশ্রয়ী জীবনযাপন করেন। তারা প্রায়ই শুধু নিজের কথাই ভাবেন। এ জন্য তারা অন্যের কথা ভাবতে মোটেই আগ্রহী থাকেন না। আর এ কারণে তাদের জীবনযাপন বিষয়ে কোনো সমালোচনাও তারা সহ্য করেন না।
৬. তারা ধূর্ত এবং ধান্দাবাজ
এ ধরনের ব্যক্তিরা প্রায়ই ধূর্ত এবং ধান্দাবাজ ধরনের হয়ে থাকেন। এ কারণে তারা প্রায়ই কোনো বিষয়ের সঠিক চিত্র উপস্থাপন না করে নিজের মনগড়া বিষয় উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া তারা নিজের বিষয়ে উচ্চ ধারণা পোষণ করার কারণে প্রায়ই মিথ্যার আশ্রয় নেন।
৭. তাদের আচরণগত সমস্যা রয়েছে
এ ধরনের ব্যক্তিরা আচরণগত সমস্যায় ভোগেন। এ কারণে প্রায়ই তাদের সহকর্মীরা বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হন। তাদের আচরণ শুধু কর্মক্ষেতেই অন্যদের ত্যক্ত করে না, কর্মক্ষেত্রের বাইরেও নানা কারণে তারা আচরণের কারণে সমালোচিত হন।
৮. দায় স্বীকার ও রসবোধের অভাব
এ ধরনের ব্যক্তিরা নিজস্ব ভুল-ভ্রান্তি কোনোভাবেই স্বীকার করতে চান না। এ ছাড়া তাদের রসবোধের অভাবও প্রকট। এ কারণে অনেকেই এ ধরনের মানুষকে পছন্দ করেন না।
৯. অবাস্তব দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য
এ ধরনের ব্যক্তিরা কল্পনার জগতে বাস করায় তাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য প্রায় সময়েই অবাস্তব হয়ে থাকে। ফলে তারা একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে থাকলেও নিজেরাই তা বুঝতে পারেন না।

 


মন্তব্য