kalerkantho


সিভি থেকে বাদ দিন অপ্রয়োজনীয় ১২ তথ্য

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ১১:২০



সিভি থেকে বাদ দিন অপ্রয়োজনীয় ১২ তথ্য

চাকরির জন্য তৈরি জীবন বৃত্তান্ত বা সিভিতে অনেকেই এমন সব তথ্য প্রদান করেন, যার কোনো দরকার নেই। এসব তথ্য যেন আপনার চাকরির জন্য কাজে লাগে, সিভি লেখার সময় এ বিষয়টি মাথায় রাখা প্রয়োজন। অপ্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান আপনার চাকরির সম্ভাবনা কমিয়ে দিতে পারে। আপনার সিভিতে যদি অপ্রয়োজনীয় কোনো তথ্য থেকে থাকে তা দ্রুত দূর করুন। এ লেখায় রইল তেমন কিছু তথ্য।
১. উদ্দেশ্য
সিভিতে অবজেকটিভ বা উদ্দেশ্য রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনি যদি চাকরির জন্য আবেদন করেন তাহলে এটা ধরে নেওয়া যায় যে, আপনি অবশ্যই চাকরিটির জন্য আগ্রহী। আপনি যদি ট্র্যাক পরিবর্তন করতে চান তাহলেই কেবল এ বিষয়টি দিতে পারেন।
২. অপ্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা
আপনি যে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন, সে ধরনের চাকরির অভিজ্ঞতাই সিভিতে লেখা প্রয়োজন। অন্য অভিজ্ঞতা যতই থাকুন না কেন, তা কাজে লাগবে না বরং চাকরির সম্ভাবনা কমিয়েও দিতে পারে।
৩. অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য
আপনার যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য চাকরিদাতার কোনো প্রয়োজন নেই। সিভিতে থাকতে হবে আপনার চাকরিটির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের বর্ণনা। এ কারণে আপনার ব্যক্তিগত কিংবা পারিবারিক তথ্য সিভিতে থাকলে তা বাদ দিন।
৪. শখ
আপনি একজন সৌখিন মানুষ কি না, এমন তথ্য জানতে চাকরিদাতা মোটেই আগ্রহী নন। তাই আপনার শখের তথ্য সিভি থেকে বাদ দিন।
৫. স্থূল মিথ্যা
চাকরির আবেদনে এমন কোনো মিথ্যা ব্যবহার করা উচিত নয়, যা সহজেই নিয়োগকর্তার চোখে পড়ে। এ ধরনের মিথ্যা চাকরি হারানোর কারণ হতে পারে।
৬. অতিরিক্ত লেখা
সিভি এমন হওয়া উচিত যেন প্রয়োজনীয় তথ্যের বাইরে একটি শব্দও না থাকে। অতিরিক্ত শব্দের ভিড়ে আপনার সিভি থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়তে পারেন কর্মকর্তারা।
৭. নির্দিষ্ট বিন্যাসের বাইরের অংশ
আপনি যদি সিভিতে নির্দিষ্ট কোনো বিন্যাস ব্যবহার করেন তাহলে সে নিয়মটিই মেনে চলুন। এক সিভিতে একাধিক ফরম্যাট কোনোভাবেই ব্যবহার করবেন না।
৮. ব্যক্তিগত সম্বোধন
সিভিতে কখনোই আমি, তুমি, সে ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। সিভিতে সব তথ্য যেহেতু আপনার, তাই এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।
৯. কর্মস্থলের নম্বর
কর্মস্থলে আপনার অফিসের দেওয়া টেলিফোন ও ইমেইল ঠিকানা কখনোই সিভিতে দেওয়া উচিত নয়। এগুলো প্রায়ই অফিস থেকে নজরদারি করা হয়। এতে আপনার চাকরির চেষ্টার বিস্তারিত বর্তমান অফিসের কাছে ফাঁস হয়ে যেতে পারে।
১০. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
আপনার ফেসবুক কিংবা টুইটার প্রোফাইল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সিভিতে উল্লেখ করা উচিত নয়। আপনি যদি এক্ষেত্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেন তখন বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।
১১. পুরনো বা নান্দনিক ফন্ট
সিভিতে মানসম্মত ফন্ট ব্যবহার করা উচিত। আপনি যদি পুরনো কিংবা নান্দনিক কোনো ফন্ট ব্যবহার করে সিভি তৈরি করেন তা মোটেই আপনার পেশাদারী মনোভাব প্রকাশ করে না।
১২. মতামত
চাকরির জন্য তৈরি সিভি বাস্তবসম্মত হওয়া চাই। এখানে নির্দিষ্ট চাকরির জন্য আপনার যোগ্যতা তুলে ধরতে হবে। এতে মতামত প্রকাশ করার কোনো সুযোগ নেই।
--বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য