kalerkantho


আপনার প্রফেশনাল সাফল্য এনে দিতে পারে 'ডিলোড'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ এপ্রিল, ২০১৬ ১৯:২৭



আপনার প্রফেশনাল সাফল্য এনে দিতে পারে 'ডিলোড'

ডিলোড বা পরিকল্পিতভাবে অনুশীলন কমিয়ে আনার প্রক্রিয়া অনেক সময় শারীরিক অনুশীলনের ক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। তবে এ বিষয়টি শুধু শারীরিক অনুশীলনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়।

এটি পেশাদারী জীবনেও নানাক্ষেত্রে সহায়ক হয়ে উঠতে পারে। এ লেখায় রয়েছে তেমন কিছু বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
টিম ফেরিস লিখেছেন, তিনি গত ১২ মাসে ডিলোডিং প্রক্রিয়া ব্যবহার করেছেন তার ব্যক্তিগত জীবনে। এতে তিনি তার মানসিক চাপ প্রায় ৫০ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে। একই সময়ে তার আয় দ্বিগুণ বৃদ্ধি করতে পেরেছেন তিনি।
ফেরিস জানিয়েছেন, তার ক্ষেত্রে ডিলোডিং হলো, বাস্তবসম্মত হওয়া। তিনি জানান, একই ধরনের কাজগুলোকে একত্রিত করে নিয়েছেন তিনি। এতে তার পডকাস্ট রেকর্ডিং, ইনবক্স ক্লিয়ার করা, ব্লগ পোস্ট লেখা, অ্যাকাউন্টিং নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সবই সহজ হয়ে গিয়েছে।
স্রোতের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আপনি যদি ক্রমাগত সাঁতার কাটতে থাকেন তাহলে তা আপনাকে সহজেই ক্লান্ত করে দিতে পারে। এ প্রক্রিয়া আপনার দৈনন্দিন মানসিক চাপ তৈরি করে। আর ডিলোডিং এ প্রক্রিয়ায় অনেকটা বিশ্রাম এনে দিতে পারে। যেমন ক্রমাগত সাঁতার কাটতে কাটতে কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে নেওয়া শরীরে যেভাবে উদ্যম এনে দেয়।
তিনি জানান, তার ডিলোডের একটি দিন তাকে এ সুবিধা দেয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ে তিনি কাটান নিরবচ্ছিন্নভাবে কোনো কাজ করে। এ সময়ে তার চিন্তাভাবনার যথেষ্ট সময় থাকে।
কয়েকটি উপায়ে এ ডিলোডিং হতে পারে। এক্ষেত্রে একটি উপায় হলো প্রতিদিন সকালে একটি নির্দিষ্ট সময় শুধু হালকা একটি নির্দিষ্ট কাজ করে। এ কাজটি হতে পারে ডায়েরি লেখা কিংবা চা পান করা।
ফেরিস জানিয়েছেন, তিনি সকাল আটটা থেকে নয়টা পর্যন্ত সংবাদপত্র পড়ে ও চা পান করে কাটান। এছাড়া প্রতি বুধবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত সৃজনশীল লেখালেখি করেন। এছাড়া পডকাস্ট ও ইন্টারভিউয়েও সময় দেন তিনি। প্রতি শনিবার দিনটিকে তিনি স্ক্রিন ফ্রি হিসেবে পালন করেন। এ দিনটিতে তিনি কোনো ল্যাপটপ ব্যবহার করেন না।


মন্তব্য