kalerkantho

26th march banner

৯টি বৈজ্ঞানিক পন্থায় নারীর কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন পুরুষ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩১ মার্চ, ২০১৬ ১৪:৫২



৯টি বৈজ্ঞানিক পন্থায় নারীর কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন পুরুষ

মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে, যৌনতা এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের ভিত্তিতে নারীরা অনেক বেশি আকৃষ্ট হন পুরুষের প্রতি। নারীদের কাছ আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠার উপায় জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. রুটজার বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানী এবং লেখিকা হেলেন ই ফিশার জানান, নারীরা পুরুষের অঙ্গভঙ্গির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থাকেন। রেস্টুরেন্টের অপরিচিত পুরুষ থেকে শুরু করে প্রিয় মানুষের চাহনি ও দৈহিক ভঙ্গির প্রতি আকর্ষণবোধ করেন তারা।

২. আবার নারীরা সেই পুরুষদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন যারা তাদের মতোই আকর্ষণীয়। নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ড. মার্ক সারজিয়ান্ট জানান, নারী নিজে যতটা আকর্ষণীয় ততটা আকর্ষণীয় পুরুষের প্রতি দুর্বলতা বোধ করেন। নিজের চেয়ে বেশি সুন্দর পুরুষকে নিয়ে তাদের মনে ভয় কাজ করে।

৩. ১৯৬৯ সালে ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনার সমাজবিজ্ঞানী গ্লেন এল্ডারের গবেষণায় বলা হয়, সুন্দরী রমণীরা দেখতে ভালো না কিন্তু সম্পদশালী পুরুষদের পেতে চান। এ বিষয়টি বেশ প্রতিষ্ঠা পায় সমাজে।

৪. একটু বয়স্ক পুরুষের প্রতিও আকর্ষণ বোধ করেন নারীরা। একে মনোবিজ্ঞানীরা বলেন 'জর্জ ক্লুনি ইফেক্ট'। ২০১০ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, পুরুষের বয়স যত বেশি, তিনি ততটাই আত্মনির্ভরশীল বলে ধরে নেন নারীরা। অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল পুরুষদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করাটাই স্বাভাবিক বলেই মনে করেন মনোবিজ্ঞানীরা।

৫. ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণায় বলা হয়, মুখে কিছুটা বড় দাড়ির প্রতি আকৃষ্ট হন নারীরা। বলা হয়, ১০ দিনের মাথায় দাড়ি যতটা বড় হয়, ঠিক সেই মাপের দাড়ি নারীদের মন কেড়ে নেয়। দাড়ি পুরুষের পুরুষত্ব ও পরিপূর্ণতার প্রকাশ ঘটায়।

৬. পুরুষের খুব পেশিবহুল দেহ নারীরা পছন্দ করেন না। কিন্তু হালকা পেশির ভাঁজ তাদের দারুণ পছন্দের। ২০০৭ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষণায় বলা হয়, বেশি পেশিবহুল দেহের পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক বেশিদিন টেকে না। কিন্তু হালকা পেশির পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট থাকেন নারীরা। এর কারণ হিসাবে বিশেষজ্ঞ ডেভিড আ ফ্রেডরিক জানান, স্বল্প পেশিবহুল দেহের পুরুষদের বেশি ফিট মনে করেন সঙ্গিনীরা।  

৭. পুরুষের মাঝে দয়াশীলতা মেয়েদের খুব পছন্দের বিষয়। বড় মনের সঙ্গী পেতে চান সব নারী। ২০১৪ সালে চীনের এক গবেষণায় বলা হয়, দয়াশীলতা বা সততার মতো ইতিবাচক মানবিক গুণ যে পুরুষদের মধ্যে রয়েছে, তাদের প্রতি আকৃষ্ট থাকেন নারীরা।

৮. যে পুরুষরা নিজের আবেগ নিয়ে কথা বলতে পারেন, তাদের প্রতি দুর্বলতা অনুভব করেন নারীরা। ১৯৫০ দশকের এক গবেষণায় তেমনি বলা হয়েছে। যখন পুরুষরা এ নিয়ে কথা বলেন, তখন তাদের আবেগ বা যৌনতা উভয় দিক থেকে ইতিবাচক মনে করেন নারীরা।

৯. ২০১০ সালে চীন, ইংল্যান্ড, জার্মানি এবং আমেরিকার এক যৌথ গবেষণায় বলা হয়, পুরুষরা লাল রংয়ের কিছু পরলে আকর্ষণ বোধ করেন নারীরা। একসময় রোম সাম্রাজ্যে লাল রং উচ্চশ্রেণির প্রতীক ছিল।
সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

 


মন্তব্য