kalerkantho

সোমবার। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ । ১০ মাঘ ১৪২৩। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৮।


যে একমাত্র অভ্যাস তাদেরকে ধনী করেছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ মার্চ, ২০১৬ ১২:১৯



যে একমাত্র অভ্যাস তাদেরকে ধনী করেছে

অধিকাংশ নিজ প্রচেষ্টায় ধনী ব্যক্তিরাই বর্তমান অবস্থায় পৌঁছার জন্য কিছু নির্দিষ্ট অভ্যাস কাজে লাগিয়েছেন। ধনীদের এ অভ্যাসগুলোর বিষয়ে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে গবেষণা করেছেন থমাস সি. কর্লি।

পরবর্তীতে তিনি তার এ অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করেছেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

ধনীদের দীর্ঘদিন পর্যবেক্ষণের পর তাদের ধন-সম্পদ অর্জনের পেছনে যে অভ্যাসগুলো রয়েছে, তা লিপিবদ্ধ করেছেন কর্লি। এ বিষয়ে তিনি জানান, 'আমার গবেষণায় দেখা গেছে, আমি দেখেছি দৈনন্দিন অভ্যাস মানুষের জীবনকে সফল কিংবা অসফল করে। '

কর্লি এ বিষয়গুলো নিয়ে একটি বইও লিখেছেন। 'চেঞ্জ ইওর হ্যাবিটস, চেঞ্জ ইওর লাইফ' নামে বইটি শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।

‘সকালে নিরিবিলি সময়ে চিন্তা করা’
বহু ধনীদের মাঝে একটি অভ্যাস খুবই সাধারণভাবে দেখা যায়। এটি হলো -কিছু সময় চিন্তা করা। এ বিষয়ে কর্লি জানান, ধনীদের অনেকেই প্রতিদিন ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় কাটান শুধু চিন্তা করে।
তিনি বলেন, 'চিন্তাভাবনা সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। '

ধনীরা সকালে একা থাকেন। এ সময় প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিনিট তারা চিন্তাভাবনা করেন।
কর্লি আরও বলেন, 'তারা প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় তাদের নিজেদের জন্য রাখেন। এ সময় তারা বহু বিষয় তাদের মস্তিষ্কে ঝড় বইয়ে দেন। '

তবে ঠিক কী বিষয় নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করেন? এ বিষয়ে কর্লি ১০টি বিষয় তুলে ধরেছেন। এগুলো হলো :
১. ক্যারিয়ার
২. অর্থসংস্থান
৩. পরিবার
৪. বন্ধু-বান্ধব
৫. ব্যবসা সম্পর্ক
৬. স্বাস্থ্য
৭. স্বপ্ন নির্ধারণ ও লক্ষ্য নির্ধারণ
৮. সমস্যা
৯. জনহিতকর কাজ
১০. সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য।
গবেষণায় জানা গেছে, ধনীরা এসব বিষয় চিন্তার সময় নিজেদের প্রশ্ন করেন, 'আমি আরও অর্থ কিভাবে উপার্জন করতে পারি? আমার কাজ কি আমাকে সুখী করছে? আমি কি যথাযথভাবে শারীরিক অনুশীলন করছি? অন্য কোন জনহিতকর কাজে আমি যুক্ত হতে পারি? আমার কি ভালো বন্ধু রয়েছে? কোন ব্যবসায় আমার আরও বেশি সময় দেওয়া উচিত এবং কোন ব্যবসা থেকে বের হয়ে আসা উচিত?'

এসব বিষয়ে যারা বেশি সময় দেন এবং ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তারাই পরবর্তীতে আরও সফল হয়ে ওঠেন। প্রতিদিন সকালে এ ধরনের চিন্তাভাবনা তাই নিজের ও বিশ্বের বিষয়গুলো সম্পর্কে বিচক্ষণ করতে সহায়তা করে। আর এতেই বাস্তবতা কাজে লাগিয়ে যথাযথ পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা ধনী হয়ে ওঠেন বলে জানান কর্লি।


মন্তব্য