kalerkantho


১০ লক্ষণে বুঝে নিন বস আপনাকে ঘৃণা করেন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৫৮



১০ লক্ষণে বুঝে নিন বস আপনাকে ঘৃণা করেন

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক বা কর্মীবাহিনী সব সময় ব্যস্ত থাকেন পণ্য, ক্রেতা আর প্রচারণা নিয়ে। অথচ প্রতিষ্ঠানে মানুষের প্রাণশক্তিই চারদিকে ছড়িয়ে থাকে। তবে প্রতিষ্ঠানে বস ও কর্মীদের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক বিরাজ করে। একের প্রতি অন্যের স্নেহ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ যেমন থাকে, তেমনি থাকে ঘৃণা ও হিংসা। অনেক সময়ই নেতিবাচক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে মনোকষ্টে ভোগেন কর্মীরা। বিশেষ করে বস এবং কর্মীর মধ্যে এমন নেতিবাচক বিষয় চলে আসলে তা সত্যিই যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আপনার প্রতি বসের মনে নানা আবেগ থাকতে পারে। এগুলো  ইতিবাচক বা নেতিবাচক হতে পারে। এখানে চিনে নিন ১০টি লক্ষণ। এগুলো স্পষ্ট করে বস আপনাক ঘৃণা করেন।

১. চাকরিতে আপনার দায়িত্ব ইতিমধ্যে গোটা অফিসে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে। বিভাগের প্রত্যেকে এর সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা  রাখেন। কিন্তু সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলছেন বস। তিনি আপনাকে দায়িত্বের বাইরে যত কাজ দিচ্ছেন এবং কোনো কারণ ছাড়াই আপনাকে ভারসাম্যহীন করে দিতে চাইছেন।

২. আপনার দায়িত্ব থাকা যাবতীয় প্রজেক্ট এবং কর্মসূচি এক সময় বসের জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি প্রায়ই এ সম্পর্কে খবর জেনে নিতেন আপনার কাছ থেকে। কিন্তু সম্প্রতি ইমেইল বা মুখোমুখি এ নিয়ে কথা বলার কোনো সুযোগই মেলে না আপনার।

৩. বসের সঙ্গে যেকোনো প্রয়োজনে দেখা করা বা কথা বলার অনুমতি মিলতো। কিক্ত এখন চেষ্টা সত্ত্বেও তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি মেলে না।

৪. কেন যেন প্রায়ই আপনার সহকর্মীরা জিজ্ঞাসা করেন, আপনার সঙ্গে বসের কি হয়েছে? এক সময় আপনি ছিলেন বসের প্রিয়পাত্র। অথচ এখন কি হয়েছে?

৫. আপনার কাজে সুবিধার্থে বা ঘোরাঘুরির কাজে আগে যথেষ্ট বরাদ্দ পেতেন। যেমন- ফার্স্ট ক্লাস বা বিজনেস ক্লাসে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হতো অফিস থেকে। কিন্তু হঠাৎ করেই কোনরকম ব্যাখ্যা ছাড়াই এসব সুবিধা বাতিল করা হয়েছে।

৬. বস অফিসে এমন সব পরিবর্তন আনলেন যার কারণে আপনার কাজে ব্যাপক অসুবিধার সৃষ্টি হলো। এ নিয়ে আপনাকে কিছুই জানানো হয়নি। আবার আপনার কোনো অভিযোগও কানে তুলছেন না তিনি। সত্যিই এক অসহায় অবস্থায় পড়ে গেছেন আপনি।

৭. ইমেইল বা মুখোমুখি এমনকি অন্যের সামনেও আপনাকে অপমান করতে ছাড়েন না বস।

৮. যেকোনো বাজে ঘটনার জন্যে হঠাৎ করেই আপনি থাকেন প্রথম সন্দেহভাজনদের তালিকায়। অন্যরা এতে জড়িত থাকলেও আপনার দিকে অভিযোগের তীর চলে আসে।

৯. অবস্থা এমন হয়ে গেছে যে, আগামী ছয় মাস আপনি আসলে কি করবেন তা বুঝতেই পারছেন না।

১০. গুরুত্বপূর্ণ আলাপ ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে। এতে বোঝা যায়, আপনি আর বসের নিজস্ব বলয়ের মধ্যে নেই।

এ ক্ষেত্রে আপনার করণীয় খুবই সামান্য। ভেবে দেখুন, বর্তমান চাকরিতে আপনার যা পাওয়ার কথা ছিল তা কি আদৌ পেয়েছেন। যদি পেয়ে থাকেন, তবে এ চাকরি হয়তো আর খাপ খাবে না আপনার সঙ্গে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, শ্রম যা দিয়েছেন তার বিনিময়ে কিছুই পাননি, তবে বসের মুখোমুখি হতে পারেন। বসের কাছ থেকে এ অবস্থার পেছনের কারণগুলো জানতে চাইতে পারেন।

সমাধান না হলে ভালো কোনো জায়গায় চলে যাওয়ার পরিকল্পনাটাই ভালো হবে। আর যদি বস আপনার সমস্যাগুলোর কথা তুলে ধরেন, তবে সমাধানের পথ খুলে যেতে পারে। সূত্র : ফোর্বস

 


মন্তব্য