kalerkantho

রবিবার। ২২ জানুয়ারি ২০১৭ । ৯ মাঘ ১৪২৩। ২৩ রবিউস সানি ১৪৩৮।


শিশুদের ঠাণ্ডা-সর্দির ওষুধ খাওয়ানোর আগে দ্বিতীয়বার ভাবুন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ মার্চ, ২০১৬ ১৪:১১



শিশুদের ঠাণ্ডা-সর্দির ওষুধ খাওয়ানোর আগে দ্বিতীয়বার ভাবুন

ঠাণ্ডা-সর্দি হলেই ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ এনে খেয়ে ফেলা যায়। কারণ সাধারণ এ সমস্যায় যে ওষুধ প্রয়োজন তা মোটামুটি সবারই জানা রয়েছে। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে এটা লাভের চেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে বলে মনে করেন কানাডার এক দল বিশেষজ্ঞ। তাই শিশুদের ঠাণ্ডা-সর্দির ওষুধ খাওয়ানোর সময় অবশ্যই অনেক বেশি সাবধান হতে হবে।

সম্প্রতি ভারত দুটো বহুল প্রচলিত কফ সিরাপসহ বেশ কিছু ওষুধ উৎপাদন নিষিদ্ধ করে দেয়। প্রায় একই সময় কানাডার ওই গবেষক দল এমন গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করলেন।

এ গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা ৩৫০০ শিশুর বাবা-মাকে নানা প্রশ্ন করেন। শিশুদের বয়স ৬ বছরের নিচে। ২০০৮-২০১১ সালের মধ্যে ঠাণ্ডা-সর্দিতে এরা কি ধরনের ওষুধ খেয়েছে তা নিয়ে তথ্য গ্রহণ করেন বিশেষজ্ঞরা।

গবেষণায় বলা হয়, ১৮ শতাংশ শিশু এখনো ঠাণ্ডা ও সর্দির গতানুগতিক ওষুধ খেয়ে থাকে। এমনকি এসব ওষুধের গায়ে ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের খাওয়া নিষেধ করা থাকলেও তা মানা হয় না।  

অন্টারিওর সেন্ট মিচেলস হসপিটালের গবেষক জোনাথন ম্যাগুয়ার জানান, স্বাস্থ্যের জন্যে মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও শিশুদের অহরহ এসব ওষুধ খাওয়ানো হয়। আবার অন্যান্য গবেষণায় দেখা গেছে, এমনকি এসব ওষুধ খেলেও তা স্বাস্থ্যরক্ষায় তেমন কাজ করে না।

ম্যাগুয়ার বলেন, আসলে বাবা-মায়ের সাবধান হওয়া খুবই জরুরি। কারণ এসব ওষুধ শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্যে দারুণ ক্ষতিকর। সব মানুষেরই এ বিষয়ে সাবধান হওয়া প্রয়োজন বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কানাডিয়ান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ-এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

 


মন্তব্য