kalerkantho

সোমবার। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ । ১০ মাঘ ১৪২৩। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৮।


বিয়ের আগে ৫ ধরনের নারীর সাথে মেশা জরুরি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ মার্চ, ২০১৬ ১৫:৩৪



বিয়ের আগে ৫ ধরনের নারীর সাথে মেশা জরুরি

নারীর ওপর পুরুষের রাগ হওয়ার সহজাত কারণ নারীকে বুঝতে না পারার ব্যর্থতা। নারী ঠিক কী চায়, তা নিয়ে পুরুষের মনে দ্বিধা আর কাটে না।

নানাবিধ ধন্দ নিয়ে পুরুষমন জেরবার। তাই বিয়েশাদির প্রসঙ্গ উঠলেই কপালে ফোঁটা ফোঁটা ঘাম জমতে শুরু করে। যাঁকে বোঝাই দায়, সে রকম একজন নারীর সঙ্গে জীবন কাটানো বড়ই দুর্বিষহ ব্যাপার!

তাই আগামী দিনে সহধর্মিণীকে ঠিকমতো বুঝে ওঠার আগে ৫ রকমের নারীকে চিনুন। তাঁদের আদবকায়দা ও মনের কিঞ্চিত হদিস পেলেই নারীজাতিকে অনেকটা চিনে ফেলতে পারবেন। হতে পারে তাঁদেরই মধ্যে কেউ আপনার মনের মল্লিকা, যাঁকে আপনি হন্যে হয়ে খুঁজছেন!

বয়সে বড়
ছেলেমানুষির কোনো জায়গাই নেই বয়সে বড় নারীর কাছে। তাঁকে কোনো বিষয় ভুল বোঝানো কঠিন। যখন খুশি, যা খুশি বলে পার পেয়ে যাওয়ার চান্স খুবই কম। এমনিতেই মহিলারা পুরুষদের চেয়ে একটু বেশি ম্যাচিওর্ড হন। তাই বয়সে বড় বান্ধবী হলে ম্যাচিওরিটির মাত্রাটাও হবে অনেকটাই বেশি। চলনবলন থেকে শুরু করে বই পড়া, সিনেমা-থিয়েটার দেখা- এই নারী আপনার সব ধরনের গ্রুমিংয়ে সাহায্য করবে। নিজেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হবে। নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আরও বেড়ে যাবে।

বুদ্ধিমতী ও ইন্টেলেকচুয়াল
স্পষ্টবক্তা ও নির্ভীক। এটি পাওয়া যায় বুদ্ধিমতী ও ইন্টেলেকচুয়াল নারীর মধ্যে। নারীরা যে 'বিউটি উইদাউট ব্রেনস' একেবারেই নন, এ ধরনের নারীর সঙ্গে মিশলে বুঝতে পারবেন। সব বিষয় এঁদের অগাধ জ্ঞান। প্রচুর বই পড়েছেন। এমন সব বই, যেগুলোর নাম বা লেখকের নামও আপনি শোনেননি। একবার-দুইবার আলাপেই এই নারী আপনাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে শুরু করবেন। কয়েক দিন মেশার পর নিজের দিকে তাকিয়ে দেখবেন, আপনার মধ্যে আমূল পরিবর্তন এসেছে। দিনে প্রায় সারাক্ষণই আপনার টিভিতে নিউজ চ্যানেল খোলা। মাঝেমধ্যেই বইয়ের দোকানে ঢুঁ না মারলে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। কেননা, পরের দিন হট টপিক হয়তো কোনো জটিল পলিটিক্যাল অবস্থা। সেই নিয়ে দুটো কথা না বলতে পারলে বান্ধবীর সামনে আপনার প্রেসটিজ পাঞ্চার। তাই ভয়েই আপনার হোমওয়ার্ক শুরু। এই মেয়ের দৌলতে আপনার মধ্যে একটা বিজ্ঞ-বিজ্ঞ ভাবও চলে আসবে, গ্যারান্টেড!

প্রচণ্ড তিতকুটে
মেয়েরা যে কতটা সাংঘাতিক হতে পারে, তাঁরই নিদর্শন তিতকুটে মেয়ে। এই মেয়ের সঙ্গে কয়েক মাস ডেট করলেই নারীমনের ডার্কসাইডগুলো একে একে জেনে যাবেন। তিনি আপনাকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না। অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বললে আপনার ওপর চিৎকার, মানসিক অত্যাচার শুরু করে দেবেন। আপনার ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করে জানতে চাইবেন আপনার হয়্যারঅ্যাবাউটস। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আপনার বন্ধুসার্কেলের প্রত্যেকেরই তাঁকে নাপছন্দ। এসবের পরও লাভের লাভ এটাই, আপনার ধৈর্যশক্তির বৃদ্ধি।

অনবদ্য হট
নিঃসন্দেহে ডেটে যান। কিন্তু সেই ভালোলাগা বেশিদিন স্থায়ী হবে না। এমন নারীর আশপাশে অন্য অনেক পুরুষ ঘুরঘুর করে। এই পর্যন্ত ব্যাপারটা মেনে নিতে পারবেন আপনি। কিন্তু অতি হট নারী আবার তাঁর পুরুষ ফলোয়ারদের মন ভাঙতে নারাজ। ফলে সকল পরপুরুষকেও তিনি পাত্তা দেন গুছিয়ে। ব্যাপারটা প্রথম প্রথম সহ্য করতে পারলেও, পরের দিকে কিন্তু তাঁকে আপনার আর পোষাবে না। একটা সময়ের পর আপনার মনে হবে শরীরী সুখটাই শেষ কথা নয়। জীবনসঙ্গী পেতে গেলে মানসিকভাবে কাছে আসা আরও বেশি জরুরি। এই নারী সব দিতে পারেন, খালি মন দিতে পারেন না!

এককথায় টেকহোম
এই নারীকে বৌমারূপে মায়ের দারুণ পছন্দ। বোনেরও পছন্দ ভাবি কাম বেস্টফ্রেন্ড হিসেবে। বাবা তো প্রায় মেয়ের আসনে বসিয়েই দিয়েছেন তাঁকে। পরিবারের সকলের পছন্দ হওয়া সত্ত্বেও আপনি সেই নারীর সঙ্গে হুট করে ব্রেকআপ করে ফেললেন। কেননা, দুজনের মধ্যে তেমন মিলমিশ নেই। সহজভাবে বলতে গেলে কোনো মিলই নেই। ব্যস, 'তুচ্ছ' কারণে ব্রেকআপ করার দায়ে পুরো পরিবার আপনার বিরুদ্ধে চলে যাবে। এমন ক্রাইসিসের মধ্যে প্রেমিকার পাশে এসে সকলে দাঁড়াবে। তাঁর চোখের জল মুছিয়ে দেবে। কেবল একা পড়ে থাকবেন আপনি। একা একাই ফাইট করবেন পরিস্থিতির সঙ্গে। এতে কিন্তু আখেরে আপনারই লাভ। একা লড়ে নিজের প্রতি অদ্ভুত আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে আপনার। বাকি দুনিয়া ভার মে যায়!


মন্তব্য