পাঁচ লক্ষণে বুঝে নিন আপনার প্রতিভার-335498 | জীবনযাপন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


পাঁচ লক্ষণে বুঝে নিন আপনার প্রতিভার সন্ধান পায়নি প্রতিষ্ঠান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৪১



পাঁচ লক্ষণে বুঝে নিন আপনার প্রতিভার সন্ধান পায়নি প্রতিষ্ঠান

বাস্তব জীবনে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে আপনার যতই প্রতিভা থাকুক না কেন, তা প্রতিষ্ঠান নাও জানতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রতিষ্ঠান চায় তার মতো করে কাজ করিয়ে নিতে। এক্ষেত্রে কর্মীদের দিয়ে বাড়তি কী কী কাজ করানো সম্ভব, তা নিয়ে জানতে আগ্রহী হয় না প্রতিষ্ঠান। এ কারণে অনেক সময় অবমূল্যায়িত হয় বহু কর্মীও। তারা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানে এগিয়ে যেতে পারে না। এ লেখায় রয়েছে তেমন পাঁচটি লক্ষণ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফোর্বস।
১. নিয়োগ প্রক্রিয়ায়
কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বোঝা যায় সে প্রতিষ্ঠানটি আপনার প্রতিভাকে কিভাবে মূল্যায়ন করবে। এ প্রক্রিয়া যদি দ্রুত, উষ্ণ ও মানবিক হয় তাহলে চাকরিটি আপনার পছন্দ হতে পারে। তবে প্রক্রিয়াটি যদি ধীরগতির, আমলাতান্ত্রিকতা নির্ভর ও শীতল হয় তাহলে বুঝে নিতে হবে যে, প্রতিষ্ঠানে আপনার মূল্যায়ন যথাযথভাবে নাও হতে পারে। আপনি চাকরিটি নিলেও লক্ষ্য রাখা উচিত দ্রুত তা পরিবর্তন করে নেওয়ার।
২. নমনীয়তা
আপনার প্রতিষ্ঠান বা ম্যানেজার যদি আপনার কাজের সময়ের ক্ষেত্রে বা কাজের ক্ষেত্রে নমনীয়তা প্রদর্শন করে তাহলে তা একটি ভালো লক্ষণ। আপনার যদি জরুরি কোনো কাজ থাকায় সেজন্য কর্মক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়, কোনোক্ষেত্রে বাড়ি থেকে কাজ করার সুবিধা দেওয়া হয় কিংবা প্রয়োজনীয় ছুটি চাইলে পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে সেখানে আপনি যথেষ্ট সমাদর পান। আপনার প্রতিভার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে ছুটির নিয়মকানুন কিংবা কর্মঘণ্টা বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া না হয় তাহলে বুঝতে হবে, আপনার প্রতিভার স্বাক্ষর পায়নি প্রতিষ্ঠান।
৩. মূল্যায়ন
বড় বহু প্রতিষ্ঠানই বার্ষিক মূল্যায়নের বিষয়টিকে বাদ দিয়ে দিলেও কিছু প্রতিষ্ঠান একে ধরে রেখেছে কর্মীদের উন্নতির সোপান হিসেবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ মূল্যায়ন কোনো কাজে আসে না। আপনার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার যদি জানায় যে, ‘আপনাদের সবাইকেই আমি একটি নির্দিষ্ট রেটিংয়ে রেখেছি’, তখনই বিষয়টি পরিষ্কার হয়। এক্ষেত্রে মূল্যায়নের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিতান্তই ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়।
৪. যোগাযোগ
যে কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে একটি কার্যকর উপায়। সবাই জানেন যে, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মীদের নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে বহু সমস্যার সহজ সমাধান পাওয়া যায়। কিন্তু সব প্রতিষ্ঠান এ বুদ্ধি কাজে লাগায় না। কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যদি কর্মীদের নিবিড় যোগাযোগ না থাকে তাহলে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে কর্মীদের জানা নাও থাকতে পারে। একইভাবে কর্মীদের ব্যবহার করে কোনো সমস্যা সমাধানের ধারণাও প্রতিষ্ঠান বাদ দিতে পারে। এছাড়া আপনার সঙ্গে যদি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের যোগাযোগ না থাকে তাহলে এটা বোঝা যায় যে, তারা আপনার মূল্যায়ন করতে আগ্রহী নয়।
৫. সততা
প্রতিষ্ঠানে সততার চর্চা থাকলে তারা যে কোনো বিষয়ে অগ্রগতি আপনাকে অবহিত করবেন। এছাড়া আপনার মূল্যায়নও এতে যথাযথভাবে হবে বলে আশা করা যায়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে যদি কোনো সততার চর্চা না থাকে, বহু তথ্য ম্যানেজারেরা গোপন রাখতে বাধ্য হন তাহলে বুঝতে হবে এখানে আপনার মূল্যায়ন হবে না। এক্ষেত্রে ম্যানেজারদের বিশ্বাস করা বোকামি হবে। আর এমন প্রতিষ্ঠানের থেকে দূরে চলে যাওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

মন্তব্য