শুধু দক্ষতা ও জ্ঞানার্জনই নয়, তার-334385 | জীবনযাপন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১০ আশ্বিন ১৪২৩ । ২২ জিলহজ ১৪৩৭


শুধু দক্ষতা ও জ্ঞানার্জনই নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু করে শিশু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ মার্চ, ২০১৬ ১৬:০৮



শুধু দক্ষতা ও জ্ঞানার্জনই নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু করে শিশু

খুব ছোট থেকে একজন শিশু যখন বড় হয়ে ওঠে তখন তার চারপাশের বিষয়গুলো শিখে নিতে হয় দ্রুত। এ কাজে শুধু দক্ষতা ও জ্ঞান একত্রিত করে না শিশুরা, তার চেয়েও বেশি কিছু করে থাকে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

শিশুর বয়স যখন ২০ মাস হয় তখন বহু শিশুই বল নিক্ষেপ, টয়লেট ব্যবহার, কথা শেখার কাজ শুরু করে। এ কাজগুলো আপাতদৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও একজন শিশুর পক্ষে মোটেই সহজ নয়। কিন্তু এ বিষয়গুলোই একমাত্র শিক্ষা নয়। গবেষকরা বলছেন শুধু দক্ষতা অর্জন ও নানা বিষয়ে জ্ঞানার্জনই শিশুর কাজ নয়। তার চেয়েও বড় কিছু করে শিশু।

ছোট শিশু যখন সবকিছু শেখে তখন তাকে 'মেটাকগনিশন' নামে অভিহিত করা যায় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এটি শুধু দক্ষতা ও জ্ঞান একত্রিত করা নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু। এতে মূলত শিশুর বাস্তববুদ্ধি তৈরি হয়।

'মেটাকগনিশন' বিষয়টি ঠিক কেমন, সে সম্পর্কে গবেষক ডোনাল্ড রামসফেল্ড ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, এটি মূলত এক ধরনের সচেতনতা তৈরি, যা 'অজানাকে জানা' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়। এতে শিশুরা বুঝতে শেখে যেকোনো বিষয়ে সঠিক উত্তর জানা না থাকার বিষয়টিও।

গবেষকরা বলছেন, শিশু যখন কোনো বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর পায় না, তখন সে পরিচর্যাকারীর কাছে সে বিষয়টি জানতে চায়। এ ছাড়া নিজেরাও নিজের মতো করে বহু প্রশ্নের উত্তর খুঁজে নেয়। বিশেষ করে ছোট শিশুরা তাদের মনের কথাগুলো বলতে না পারলেও মনের ভেতর সে বিষয়গুলোকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নেয়।

এ গবেষণার জন্য ৮০ জন শিশুর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তাদের বয়স ছিল ২০ মাস। তাদের একটি করে খেলনা দিয়ে তা বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রেখে গবেষকরা প্রতিক্রিয়া লক্ষ করেন। এতে দেখা যায়, শিশুর খেলনা যত কঠিন স্থানেই লুকিয়ে রাখা হোক না কেন, ধীরে ধীরে সে তা অনুমান করতে শেখে এবং তা খুঁজে পেতে সচেষ্ট হয়। এ বিষয়ে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে নিউসার জার্নালে।

এ বিষয়ে গবেষকরা বলছেন, শিশুরা খুব ছোটবেলা থেকেই শিখতে এবং প্রশ্ন করতে সক্ষম। তার অর্থ হলো, শিশুকে খুব ছোটবেলা থেকে বসিয়ে বা টিভির সামনে না রেখে তাকে সময় দেওয়া ও খেলাধুলার মাধ্যমে নানা বিষয় শেখানো উচিত। শিশু এসব বিষয় একত্রিত করে পরবর্তীতে নিজেই বহু বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান লাভ করবে।

মন্তব্য