kalerkantho


খাবারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পারিবারিক বন্ধন ও সৃজনশীলতা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ মার্চ, ২০১৬ ১৫:২৮



খাবারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পারিবারিক বন্ধন ও সৃজনশীলতা

খাবার শুধু একজন মানুষের পুষ্টির চাহিদাই মেটায় না, এটি আরও বহুভাবে মানুষের সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। প্রায় এক দশক আগে সংসার শুরু করেছিলেন কমলিকা চক্রবর্তী।

কলকাতা ফুড ব্লগার্স গ্রুপের এ প্রতিষ্ঠাতা জানান, খাবার তার পরিবারকে একত্রিত রাখতে সহায়তা করছে। একই মতামত পাওয়া গেছে আরও বহু মানুষের কাছে থেকে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

কলকাতা ফুড ব্লগার্স শুরু হয় একটি 'সিক্রেট' ফেসবুক গ্রুপ থেকে। এ গ্রুপটিই পরবর্তীতে ব্যাপক প্রসার লাভ করে। এ গ্রুপের উদ্যোক্তা কমলিকা জানান, ছয় বছর আগে তিনি এ গ্রুপের কাজ শুরু করেন। গ্রুপটিতে রেসিপি যেমন দেওয়া হয় তেমন নানা রেস্টুরেন্টের রিভিউও তুলে ধরা হয়।

তিনি বলেন, 'আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে আমার ব্লগটি শুরু করি, এটি ছিল আমার জন্য একটি হাতেকলমে প্রশিক্ষণ। আমি বুঝতে পারি এটি শুধুই রান্নার বিষয় নয়, এটি উপস্থাপন করতে হয়, খাবারের ছবি তুলতে হয়, লিখতে হয় এবং আরও অনেক কাজ করতে হয়! এরপর আমি দিল্লি ও মুম্বাইয়ের ফুড ব্লগারদের কার্যক্রম দেখে কলকাতার জন্যও এটি করার উদ্যোগ নেই।

'

অমৃতা নামে একজন নারী জানান, তিনি তিন বছর আগে এ ব্লগের সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি বলেন, 'আমি ও আমার স্বামীর একটি নিজস্ব ব্লগ ছিল। বাস্তবে সে এমন একজন ব্যক্তি যে আমাকে খাবারে উৎসাহী করে তুলেছে। '

তাদের এ খাবারের প্রতি আগ্রহী হওয়ার কারণ সম্পর্কে অনুসন্ধানে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়- খাবারের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই পারিবারিকভাবে উৎসাহ রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে আরেকজন সফল নারীর নাম সায়ন্তনী। তিনি একটি হোম বেকারির মালকিনও বটে। সায়ন্তনী বলেন, '৯ বছর আগে আমি নিজের ব্লগ শুরু করি। এটি শুধু আমার মায়ের দেওয়া রেসিপিগুলোর হাতের কাছে পাওয়ার উপায় ছিল। আমি নতুন বিয়ে করেছিলাম এবং স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকদের জন্য রান্নায় আগ্রহী ছিলাম। সে কারণে আমি মায়ের সাহায্য চাই এবং তিনি সহায়তা করতে এগিয়ে আসেন। এরপর আমি সামনে এগোতে থাকি এবং বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছাই। আমার রেসিপিগুলো আমি অনলাইন জার্নাল হিসেবে সংরক্ষণ করি। এরপর দেখতে পাই যে, বহু মানুষ আমার ব্লগ অনুসরণ করছে। এতে তারা নানা বিষয়ে ভালোমন্দ জানাতে থাকে, আমিও তাদের মন্তব্যের জবাব দেই। আমার ছেলে বর্তমানে আমার একজন বড় সমর্থক হয়ে উঠেছে। সে তার মায়ের জন্য সব সময় ক্যামেরা হাতে প্রস্তুত থাকে। '


মন্তব্য