kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চল্লিশের পরেও ফিট থাকতে....

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ মার্চ, ২০১৬ ১৪:০৯



চল্লিশের পরেও ফিট থাকতে....

বয়স যখন চল্লিশ বছর পার হয়ে যায় তখন কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি হয়ে পড়ে। এছাড়া শরীর ও মন সচল রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত এ বয়সে।

এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে গার্ডিয়ান।
১. দ্রুতগতিতে হাঁটুন
হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে এ হাঁটা যদি হয় অল্প গতিতে তাহলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও আসতে পারে। তাই বেশি করে দ্রুতগতিতে হাঁটুন। পাশাপাশি আপনার হাঁটার গতি ও পরিমাণ লিপিবদ্ধ করুন। এতে হাঁটার উৎসাহ অনেক বাড়বে। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ইংল্যান্ডের মানুষেরা যদি প্রতিদিন আধ ঘণ্টা করে হাঁটত তাহলে বছরে ৩৭ হাজার জীবন বাঁচানো সম্ভব হত। হাঁটা স্বাস্থ্যের প্রচুর উপকার করে। এতে টাইপ টু ডায়াবেটিসসহ হৃদরোগ ও গুরুত্বপূর্ণ নানা রোগ প্রতিরোধ করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তা দেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়কও বটে।
২. সাইকেল চালান
সাইকেল চালানো একটি দারুণ শারীরিক অনুশীলন। প্রয়োজনীয় যাতায়াতের জন্য সাইকেল ব্যবহার করা হলে তা যাতায়াতের সময় যেমন বাঁচায় তেমন শরীরও সুস্থ রাখে। এছাড়া স্টেশনারি বাইক ব্যবহার করেও শারীরিক অনুশীলন করা যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সাইকেল চালানোর ফলে শরীরের ফিটনেসের মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। তাই সাইকেল চালানো ফিটনেস রক্ষার অন্যতম উপায় বলে মানছেন গবেষকরা। সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ২০ মিনিট সাইকেল চালানো হতে পারে দারুণ শারীরিক অনুশীলন।
৩. পরামর্শ নিন
হঠাৎ কঠোর শারীরিক অনুশীলন শুরু করা উচিত নয়। এজন্য কিছু নিয়ম রয়েছে, যা জেনে নেওয়া উচিত। বিশেষ করে ওজন তোলা কিংবা অ্যারোবিক এক্সারসাইজ হঠাৎ শুরু করলে দেহে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। এসব ব্যায়ামের সমস্যাগুলো জেনে নিয়ে তারপর ধীরে শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় কোনো প্রফেশনাল ইন্সট্রাক্টরের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারলে।
৪. বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ
আপনার শারীরিক অনুশীলনের এমন কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত হবে না, যা অর্জন করা কঠিন। কারণ অর্জন করতে না পারলে সে লক্ষ্য আপনার ব্যর্থতা ডেকে আনবে। এজন্য ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। একটি একটি করে লক্ষ্য পূরণ করে বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য এগিয়ে যেতে হবে।
৫. অনুশীলন বাদ দেবেন না
সুস্থ থাকার জন্য অনেকেই শারীরিক অনুশীলন শুরু করার পর তা কোনো কারণে বন্ধ করে দেন। এক্ষেত্রে সবারই মনে রাখা উচিত শারীরক অনুশীলন শুরুর পর তাতে প্রথম কয়েকদিন সামান্য ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে প্রথমে হালকা অনুশীলন করতে হয়। আর ধীরে ধীরে তার মাত্রা বাড়াতে হয়। অনেকেই প্রথমে কয়েকদিন অনুশীলন করার পর প্রতিক্রিয়ার কারণে তা সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে দেন। তাই অনুশীলন শুরুর আগেই এ বিষয়ে প্রত্যয়ী হওয়া উচিত যে, কোনো কারণেই তা বাদ দেওয়া যাবে না।


মন্তব্য