অনলাইনে মায়েদের অতিরিক্ত শেয়ারিং-333186 | জীবনযাপন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০১৬। ১৬ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৮ জিলহজ ১৪৩৭


অনলাইনে মায়েদের অতিরিক্ত শেয়ারিং শিশুর প্রাইভেসি নষ্ট করছে কি?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ মার্চ, ২০১৬ ১৩:৫৫



অনলাইনে মায়েদের অতিরিক্ত শেয়ারিং শিশুর প্রাইভেসি নষ্ট করছে কি?

আধুনিক মায়েরা শিশুর লালন-পালন করতে গিয়ে বহু আনন্দময় মুহূর্ত স্মার্টফোনে কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে ধারণ করবে এটাই স্বাভাবিক। আর এমন মায়েদের সম্প্রতি অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের শিশুর ছবি পোস্ট করার প্রবণতাও অনেক বেড়ে গিয়েছে। তবে এ প্রবণতা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইদানিং শিশুদের বিভিন্ন ছবি কিংবা ভিডিও শেয়ার করছে মায়েরা। মায়েদের অতিরিক্ত এ ধরনের শেয়ারিংয়ে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত অনেক তথ্যই অন্যরা জেনে যাচ্ছেন। তবে এ বিষয়টি কি শিশুদের প্রাইভেসি নষ্ট করছে?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুদের ছবি শেয়ার করায় শিশুদের প্রাইভেসি নষ্ট হচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন ব্যক্তি। সম্প্রতি এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ফ্রান্সের একজন ইন্টারনেট আইন বিশেষজ্ঞ। তিনি দাবি করেছেন, বাড়ন্ত শিশুদের প্রাইভেসি নষ্ট করা এসব বিষয়ের জন্য তাদের পিতা-মাতার বিরুদ্ধে আইনি আশ্রয় নেওয়া উচিত।
এরিক ডেলক্রয়িক্স নামে সে বিশেষজ্ঞ জানান, ফেসবুকে শিশুদের ছবি দেওয়া তাদের পিতা-মাতার দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ। শিশুর ছবি অনলাইনে দেওয়ার আগে তাদের এ বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে ভেবে নেওয়া উচিত।
কিন্তু আধুনিক মায়েরা এসব বিষয় নিয়ে মোটেই ভাবছেন না। তারা শিশু লালন-পালনের ছবি ও অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করছেন। এটি অনেকেই তাদের আধুনিক মাতৃত্বের অংশ হিসেবে ব্যবহার করছেন।
এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে এমা কনওয়ে নামে ৩৮ বছর বয়সী এক মা বলেন, শিশুর আনন্দময় মুহূর্তের ছবি অনলাইনে শেয়ার করা তার খুবই প্রিয়। তবে এজন্য তিনি খুবই সতর্ক। ছবিগুলো যেন শুধু তার বন্ধুবান্ধবের মাঝেই সীমিত থাকে সেজন্য তিনি সাবধান থাকেন। এছাড়া তিনি কখনোই শিশুর পোশাক ছাড়া ছবি অনলাইনে শেয়ার করেন না।
তবে নিজের শিশুর ছবি বা ভিডিও সতর্কতার সঙ্গে পোস্ট করার এ বিষয়টি সব পিতা-মাতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অনেকেই শিশুর কেমন ছবি পোস্ট করা হচ্ছে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন না। বিশেষ করে নিজের চোখে যে ছবিটি নিরিহ বলে বিবেচিত হচ্ছে, তা অন্য কারো চোখে একই রকম নাও থাকতে পারে। এতে সন্তানের ছবির অপব্যবহার হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মন্তব্য